আটোই ফাগুন
আটোই ফাগুন ভুলি নাই ভাইয়ের রক্ত রাঙানো নিশ্চুপ দেহ… রক্তে রঞ্জিত রাজপথ বাঙলা ভাষার জন্যসম্পূর্ণ
আটোই ফাগুন ভুলি নাই ভাইয়ের রক্ত রাঙানো নিশ্চুপ দেহ… রক্তে রঞ্জিত রাজপথ বাঙলা ভাষার জন্যসম্পূর্ণ
চিত্ত পিপাসিত মোর তৃষাতুর মনরে প্রেম সুধার তরে বন্ধু তোমারি তরে। তাপিত মরুভূমি বর্ষণ যাচেসম্পূর্ণ
একা কেন ! জড়াও নি বুঝি
দাপটের পরাক্রান্ত জাল,এস ধর হাত
পুড়ে ছাই ধিকিধিকি জ্বলন্ত অধ্যায়
তবুও সকাল হোক,পরিচ্ছন্ন রোদ
নির্বিবাদ প্রদীপ ভাসিয়ে শান্তি এনে দেব
টুকটুক নোলক শাড়িতে
থেমে যাবে ঝড়,দেখো ঠিক একত্রিত হলে |সম্পূর্ণ
সহস্রাব্দের ঢেউ নিয়ে উথাল পাতাল গন্তব্য
নেই কোন উপস্থাপক নল, বিষন্ন কালে
নাকে মুখে গুঁজে দেবার মত , আব্বুলিশ !
আমি এই খেলায় কোন সরঞ্জাম হতে পারব না
পারব না দিগযন্ত্র হয়ে মোরগের পিছু পিছু
গোলমেলে বৃষ্টি রিপোর্ট দিতে, তার চেয়ে
একফোটা নাভি দাও পরমায়ু রাখি, ঠেলে উঠলে টেথেসকোপসম্পূর্ণ
বাস্তবে যা অসম্ভব কল্পনায় তা সম্ভব। বাস্তবে চাঁদকে বাড়ি আনা যায় না কল্পনায় চাঁদকে শুধুসম্পূর্ণ
পুরুষ হও দৃঢ়
বৃত্ত সেরে ফিরে যাওয়া আজও
ছত্রাকার,একরাশ জমাট হতাশা
দিব্য দিয়ে ঢেকে রাখি সেই পর্বগুলো
একটি বিন্দু রাত্রি তার
সাগর সমান, হে যুবক পুরুষ হও দৃঢ় !
চলে গেছে যারা শুধুই মতিভ্রম
প্রশ্নচিহ্ন রেখে উত্তর অমিল আজও মিলবেনা আর
সংখ্যাগুলো কেড়েছে অক্ষর, পত্রপাঠ
নিয়েছে গুটিয়ে | কোন
ফিরে দেয় যে কেড়ে নেয় সে-ই
বাঁচায় যে,ফাঁকা করে একা করে, খুন করে,লুট করে
সবই’তো মানুষ —
তথাপি কি নিদারুণ মানুষ পিপাসা
সহস্র আঘাত বুকে দেখে যা তথাপি, নিদারুণ কি
মানুষ উৎসব |সম্পূর্ণ
অখন্ড মেঘমালা সারাটিক্ষণ জুড়ে
স্থির রয় বুকের পাজরে
বলি ঝিরি ঝিরি বরিষণ ঝরলেই পারে
তবু তো শান্ত হাওয়া লাগতো হৃদয়পুরে।
কোথাকার কোনো শীতল হাওয়া
দেয় না দোলা-শুধু পথ চাওয়া
কাটে না মেঘমালা আঁধারের আসা-যাওয়া
স্তব্ধতায় বন্ধি চাওয়া-পাওয়া।
তবু থাকে প্রার্থনা হৃদয়জুড়ে সারাবেলা
মেঘমুক্ত হবে জীবন ঘুচবে ছলাকলা
আলোকধারা ঝরবে হবে আলোকিত পথচলা
ঝিরি ঝিরি সমীরণ দিয়ে যাবে দোলা।
দূরের বেদনা দূরের যাতনা
দূরই দেয় মোরে দূরের সান্ত্বনা।
যায় সাথি মোর দৃষ্টি-অগোচরে
নীরব ব্যথা সরবে অন্তরে।
সম্পূর্ণ
পিতামহ —
আমাকে আনত করো
বিভক্ত করো, ভগ্নংশ করো
ক্ষুদ্রাংশটুক ছড়িয়ে দাও
বৃহত্তর প্রাঙ্গণে !
আবারো নোয়ালাম — এই ব্যবধানে বর্ষিত হোক
ভেদাভেদ, আমাকে নামিয়ে দাও,জাগিয়ে দাও
জুড়ে দাও মহৎ আলোয় !
যখন প্রবল ধ্বসের সম্মুখীন আমি
তলিয়ে চলেছি অবক্ষয়ের গ্রাসে, একটিও তারা নেই
যখন নক্ষত্রের জাগতিক ভ্রম
চিরস্তব্ধ করে তুলছে সন্ধির আপাত সময়সম্পূর্ণ
হায় গণতন্ত্র !
– মল্লিকা রায়
ওই অস্ত্র
ওই মন্ত্র তুলে ধর বোনেরা
মণিপুরে ঘুমিয়ে যাওয়া
মায়েরা ক্লান্ত আজ……
ওই বাতাসের মন্ত্র দিলাম
ও দেশে
আগুণ ফলে,ছড়িয়ে পড়া উত্তাপ
পৌঁছে দেব
বোনেরা সম্পূর্ণ