প্রিয়তমা কোনো এক রোদ্দুর
শেষ বিকালের ট্রেনের জানালায় বসে
তাঁরে আমি দেখেছিলাম।
হেমন্ত রাত্রি বাহিরে ডাকবাক্সে
মেঘের -তারায় শিশির জমে।

দূরে পিরামিড বুকে সমাধি
নীলনদ বলে ভালোবাসা
প্রেম নয় তো সর্বনাশা।
সম্পূর্ণ

মুছতে কি চাই সমস্তকিছু
যা কিছু পারি তাহা তো নয়!
যদি হাত বাড়িয়ে ছুঁতে পারি
আকাশের নাগাল, তবে কি
আকাশকে নামানো যাবে নীচে!
কল্পনার আড়ালে কাগজের ভাঁজে ভাঁজে
কার ছবি আঁকতে চেয়েছি দিনে রাতেসম্পূর্ণ

বসন্ত আসতে চলেছে চৈএমাস
যা কিছু শাশ্বত জগৎ মাঝারে
তাঁহার সাধ্য নাই ছোঁয়ার কিছু..!
হাতের নাগাল থেকে কখনো
যদি ফিরায়ে দিয়ে থাকি তাঁরে
তবে ঠিক তাই, ইচ্ছাকৃত ভাবে ফিরায়ে দিয়াছি
তাঁহার বেশি আমার কিছু সাধ্যে নয়।সম্পূর্ণ

চুক্তিভঙ্গ হলো চিলেকোঠার দেওয়ালে
ঘোরতর বিপদ আমার পাছে ধরে
এই তো দিব্বি চলে যাচ্ছে সময়
দাহনভূমির সন্নিকট দিয়ে।
আমি দাসত্বের লড়াই লড়েছি
দার্শনিকতত্ত্বের দাসত্বশৃঙ্থলে।সম্পূর্ণ

চিলেকোঠার ছাদ ধ্বসে গেল একনিমেষে
আমাদের ঘোরতর বিপদ এখন নির্বিশেষে
‘শূন্য’ প্রান্তরে বালুরাশির প্রহরা
নির্ভয়ে হাত বাড়িয়ে মৃত্যুকে ডাকে।সম্পূর্ণ

বসন্ত আসতে চলেছে বিষন্ন ফাগুনে
রক্তচিহ্ন আমার চলার পথে পথে
বিরক্ত বিরচিত সংকল্প
বারে বারে বিরোধ কে ডেকে আনে,
আমি বিরাম-চিহ্ন এঁকেছিলাম ব্যস্ত শহরে
বর্ণ-বিবর্ণ দেওয়ালের বিলম্বে।
কারা যেন দ্বিমত করেছিল
ভিন্ন-অভিন্ন বিশ্বাসী শক্তিকে কেড়ে নিয়ে।সম্পূর্ণ

বসন্ত মেঘের পালক ছড়িয়ে
এসেছিলাম আমি এই ফাগুনে
নিদারুণ ভাবে প্রেমের সংকল্প নিয়ে।
আদি কাল ধরে এখানে আঁখর পেতেছি
আকর্ষণের পাতাকে মেলে ,

এখানে ছায়া ফেলেছে মনুমেন্টগুলো
তাজা রক্তের ব্যথিত হৃদয়ে –
সম্পূর্ণ

আমি মেঘের কোণে স্বপ্ন আঁকি
আকাশের জ্বাজ্জল্যমান তারার দেশে দেশে।
আমি দেশ দেখি হাতের মুঠোয়
মানুষের সব চোখে চোখে।
অচেনা এক পথের বাঁকে
মন হারিয়ে যায় ঘাসে ঘাসে।সম্পূর্ণ

এখনো হতে পারতাম কিছু
তবে কি হতে পারতাম!
হতে কি পারতাম নীতিকথার মালিক
নীচের তলার মানুষের মতো মানুষ।
মানুষকে আমি বুঝতে চাইতাম
তবুও কি বুঝতে পারলাম কিছু…!সম্পূর্ণ