মায়ের স্নেহ
মাগো তুমি আমার কাছে শ্রেষ্ঠ ধরার মাঝে। সবার আগে সর্ব ক্ষণে হৃদয় কোণে বাজে। অনেকসম্পূর্ণ
ক্ষয়িষ্ণু মহাকালের ছায়া
এই যেনো নীল অন্ধকার, মহাভৈরবীর অন্ধরমহল!
দুঃস্বপ্নের মূর্তিগুলো লোলজিহবা প্রসারিত করে শুষে নেয়
প্রেমিকার জঠরে বেড়ে উঠা প্রতিধ্বনিসম্পূর্ণ
পৌরসভার গাড়ি
মাটির দাবি নিয়ে মানুষ পোকারা!
পড়ে থাকে লাশ!
দীর্ঘশ্বাস!
পথভর্তি শোক! হাহাকার কারবারি!
বড়ো দেরিতে পৌঁছায় পৌরসভার গাড়ি।সম্পূর্ণ
মতাদর্শ ও মৃত্যুচিন্তা
স্বপ্ন ভেঙে গেলে ফিরে আসি চেনা পৃথিবীর নৈমিত্তিক কোলাহলে,এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে জাগতিক ক্ষুধার অজস্র সামগ্রী! মতাদর্শ ও মৃত্যচিন্তা আমাকে নিয়ে যায় নরকের খুব কাছে।সম্পূর্ণ
স্বপ্নের ভেতরে,বাহিরে
কতগুলো অচেনা শব্দের ঘুঙুর বাজে,পরীরা নাচতে থাকে নীলরংয়ের হেরেমখানায়! পুষ্পরজ; এবং কামশাস্ত্রের ভিন্ন ভিন্ন পাঠ চলে….
বৃষ্টিধারায় জন্মনেয় কাব্যবালিকা!দূর্বার বেগে ছুটে চলা শব্দগুলো কবিগণ লুটে নেয়।সম্পূর্ণ
পেটের ভেতর ঠোক্কর মারে ক্ষুধা
আমার পেটের ভেতর যখন ঠোক্কর মারে ক্ষুধা…
বিশ্বাস করুন-
দরবেশ বাবা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রযন্ত্র,
রক্তচোষা শয়তানগুলোর হাঁড়-মাংস সবটায়,
সবটায় আমি-এক নিমিষেই খেতে চাই!
সম্পূর্ণ
তারা জানলো না
তারা জানলো না
———- প্রতাপ মণ্ডল
সেসব দিন হারিয়ে গেছে, এসেছে দেহ মনে জরা
কালের স্রোতে সবই কেমন হারিয়ে যায়!
শৈশব ছিলো হাসিখুশি খেলাধুলা, দুস্টুমিতে ভরা
আজ হঠাৎ কি জানি কেনো পিছনে তাকাই!
মায়ের বকুনি ছিলো, ছিলো পড়া না করার শাস্তি
নীলডাউন ছিলো আরো ছিলো কানমলা,
বেতের ছড়ি ছিলো, ছিলো শিক্ষকদের স্নেহের শাসন
বন্ধুদের সাথে ভাব ছিলো,জড়িয়ে ধরে গলা।
স্কুলের টিফিন ছিলো, মুড়ি, লুচি, কখনো বাসি ভাত
হুটোপুটি করে টিফিন ভাগ করে খাওয়া,
হারিয়ে গেছে সেসব দিন, শৈশবের বন্ধুরা ছেড়েছে হাত
আর হবে না হয়তো তাদের ফিরে পাওয়া!
দিন যায়, মাস যায়, বছরও যায় গুটিগুটি পায়ে চলে
জীবন বদলে গেছে, আমরা হয়েছি আধুনিক,
মনটা আর আধুনিক হলো কই! রয়ে গেছে সেকেলে
এখনকার শৈশব দেখি, ওরা বড়ো যান্ত্রিক।
খেলাধুলা নেই, কানামাছি নেই, নেইতো কুমিরডাঙ্গা
যান্ত্রিক যুগে যন্ত্রে মেতেছে সব শিশুদের মন!
তারা জানলো না শৈশব কি! ওদের খেলনা ভাঙ্গে না।
আরো আধুনিক হলে যুগ-
শৈশব বলে কিছু আর থাকবে না তখন!সম্পূর্ণ
প্রতিরোধেও বাঁচুক প্রেম
প্রতিরোধেও বাঁচুক প্রেম ……………আজিজুল হক সব বৃষ্টি মাখা রোদ গুলো কে আজ বড্ড এক ঘেয়েমিসম্পূর্ণ