নিঃসঙ্গ শূন্যতা
তুমি যখন ছেড়ে যাও নিঃসঙ্গতায় আমায়, সে মুহূর্ত গুলোয় আকাশে উড়তে ভুলে যায় রাজঁহাস ভুলসম্পূর্ণ
তুমি যখন ছেড়ে যাও নিঃসঙ্গতায় আমায়, সে মুহূর্ত গুলোয় আকাশে উড়তে ভুলে যায় রাজঁহাস ভুলসম্পূর্ণ
আমার মোনাজাতের ভীড়ে শুধু তোমার জন্য কিছু চাওয়া জায়নামাজে দাড়িয়ে আমি শুধু তোমায় জন্যই দুসম্পূর্ণ
আমার সঙ্গে তোমার দেখা হবে না, এক শহরে থাকবো, হয়তো পাশাপাশি একই রাস্তায় হাটবো –সম্পূর্ণ
একটা বিরাট স্থাপত্যের ভগ্নস্তূপে আমার বাস, সিন্ধু সভ্যতার স্নানাগারে স্নান সেরে আর্যপুত্র তখন শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলায়সম্পূর্ণ
গল্প বুড়োরা আজ আর বাস করে না আমাদের মাঝে! ব্যাঙমা ব্যাঙ্গমিরাও অভিযোজন করতে না পেরেসম্পূর্ণ
আলোর ঘোড়া রাত থেকে ঠুকরে খাচ্ছে নীল ছায়া ছায়া মহীরুহ এঁকেছে ধোঁকার কোলাজ পুরাতন কারবালাসম্পূর্ণ
একদিন তোমার শহরে তখন নিঃসঙ্গ রাত আর আমার অস্তিত্ব এবং রাস্তার ইলেকট্রিক পোল গুলোতে ছেয়েসম্পূর্ণ
শুধু আমি একাই হেটে চলেছি ডুয়ার্সের আঁকাবাঁকা শাল- সেগুনের পাতা ঝরানো পথে। আমার বাম দিকেরসম্পূর্ণ
চোখ বুজে তাকালে দেখতে পাই নিজস্ব স্বপ্নের ভালোবাসার অজস্র অপমৃত্যু, দাস ব্রাদ্রাস মোড়ের মিছিল সরণীতেসম্পূর্ণ
বঞ্চনার চোখ নিয়ে পাথরের অনুভূতি গড়ায় সেতার হেমন্তের শেষ গান বেদনার সোপানে শুধু বিষণ্নতার– বুকসম্পূর্ণ
কিছু লাশের জন্ম হয় যেভাবে ক্রমাগত বুদ্ধিজীবীদের বুটের আওয়াজে হই হই শব্দে প্রতিধ্বনিত সভামঞ্চ -অডিটোরিয়াম।সম্পূর্ণ
আমাকে তুমি বেশ্যা বল, শরীর বেচি বলে? জানো কি তুমি বেশ্যা কাকে বলে? তোমরা যারাসম্পূর্ণ
এ জনমে তোমার আমার দেখা হওয়া টা কি সত্যি জরুরি ছিল? কতজনের তো দেখাই হয়নাসম্পূর্ণ