ভালোবাসার পদ্যগুলো রেখে যাব তার স্মরণে
আমি জানি সেও কাঁদবে আমার মরণে।
প্রকাশ্যে কিংবা অতি গোপনে
শাড়ির আঁচলে মুখ লুকিয়ে।
সম্পূর্ণ

বাসনা পূর্ণতা আমার অনুভবে
চোখ বুজে গভীর অন্ধকারে রূপসী বাংলা
হয়তো জীবনানন্দের বনলতা সেন এসেছিল
আমার কবিতার পাতায়:-
আমার প্রিয়তমা কে একবার দেখতে।
যুগের পর যুগ এভাবেই বহমান
অস্তিত্ব রক্ষায় তাগিদে বন্দীশালায় যেতে হয়
মরুভূমির জীবনে মিশরের পিরামিডে।।

সম্পূর্ণ

মেঘেরা দূর থেকে বহুদূরে চলে যায়
সে আজও ফেরে না!
আবহকাল শেষ হয় তারই অপেক্ষায় থেকে থেকে
শতাব্দী থেকে শতাব্দী গুনে গুনে।
তারপর একটি শেষের রাত্রি নামে
আমি হারিয়ে যায় সেদিন থেকে,
মিশরের পিরামিডের সমাধি
আমারে ডাকে ‘শূন্য’ খাঁচা পূরণ করতে।।
সম্পূর্ণ

আমার এই শহর কবিতার প্রহর
ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ঝরে পড়ে এখানে।
শব্দেরা সব ক্ষোভ প্রকাশ করে
ভিজে যাওয়া তারার মাঝ থেকে-
নক্ষত্র রাত্রি আমার কালো রাত
উপন্যাসের পাতা শেষ অধ্যায়
স্মৃতির চাদর জোনাকির আলো
হাজার বছর শেষ হয়ে কেটে যায়।
সম্পূর্ণ

পুরানো পৃথিবী,আমারো পুরানো ডাকচিঠি
শেষ কবে লিখে ছিলাম আমি!
প্রণয়ীরা আসে জাগে যখন নীলাকাশ
তোমার ওপর প্রতিম স্বাদ
একটুকরো চাঁদের দুনিয়ায়।
পৃথিবী ঘিরে স্থিরতর জীবন
আমার অজস্র ভাবনা
সময়ের হাত হতে বেঁচে রয়।
সম্পূর্ণ

অনেক রাত্রি নিশাচর হয়ে
নীহারিকা নুইয়া পড়ে
নীলিমা খাতার উপর।
নিসর্গ নিস্তেজ নীপে-
আমি নির্বোধ হয়ে
এঁকে যায় যুদ্ধের মানচিত্র।
জানি আমি একদিন যুদ্ধ হবে পৃথিবীতে
আজকে থেকে উঠে এসে ঠিক অন্য যুগে।

সম্পূর্ণ

নক্ষত্র ঘুমহীন
জড়াতে চাইনা যুদ্ধে;
এখন তো অনেক রাত্রি
স্যাটেলাইট্ – এর দুনিয়ায়।
মাঠে মাঠে শুকনো পাতা
এদিক-ওদিক ওড়া-উড়ি করে
বিভোর দৃষ্টিতে চেয়ে আছি
যদি আগুন লাগে।
সম্পূর্ণ

স্বপ্নেরা সব পিছু ডাকে
মিশরের পিরামিডের আশায়;-
ঘুমের দুয়ারে বিক্ষুব্ধ আত্মার মতো
খুলে যায় মমির মুখ গুলো:-
আমার চোখ ছিঁড়িয়া যায় শকুনের পালকের মতো,
শূন্য প্রান্তরের মৃত প্রাণীর কঙ্কালের মতো-
জন্মাবে কত অজানা ইতিহাস।সম্পূর্ণ