আমি এখনো উঠোনে দাঁড়াই
জানালায় এসে দাঁড়িয়ে দেখো, এক এক করে সবকিছু ধূসর হয়ে যাচ্ছে,তোমার হাতের মুঠো থেকে খসেসম্পূর্ণ
বিরহের কবিতা সমূহ রয়েছে এখানে।
জানালায় এসে দাঁড়িয়ে দেখো, এক এক করে সবকিছু ধূসর হয়ে যাচ্ছে,তোমার হাতের মুঠো থেকে খসেসম্পূর্ণ
কতোবার কদমের মরশুম এসে বুকের কাছে হাহাকার করে যায়।এখন আর গাছে গাছে কদমের খোঁজে ঘুরিসম্পূর্ণ
মার্টিনের কথা মনে ভেসে আসে। পৃথিবীর শেষ জলে ভাসা উত্তাল কাঁপা জাহজের উঠোনে-বিকেলের রঙে আসেসম্পূর্ণ
তোমার মানিয়ে নেবার সংসার,আমার সব ভুলে যাবার শহরসমস্ত ছাপিয়ে সুখী হও প্রিয়।তুমি সুখী হলে,আমি মরুভূমিকেসম্পূর্ণ
চলো নিয়মকে অনিয়মে বেঁধে প্রেমে পড়ি আবার।চলো সকাল বিকেল ঝগড়া করি খুব। “কি হবে আমাদেরসম্পূর্ণ
বুকের বাম পাশটায় হাত রেখে দেখো,চোখ বুঝে দম নাও আরো।একদিন ওই বুকেই দানা বাঁধবে একাকীত্ব।সম্পূর্ণ
আমার ইচ্ছে হয় আমি খুব করে কৈশোরে ফিরি।একবার ছেলেবেলার মতো প্রেমে পড়ি।দাঁড়িয়ে পড়ি প্রেমিকার পথে।পথেরসম্পূর্ণ
আমি সুহাসিনীকে চিনতাম না।অবশ্য, সুহাসিনী আমায় চিনতো। আমি জানতাম, সুহাসিনী কবিতা ভালোবাসতো!সুহাসিনী!অবশ্য, বাসায় নাকি সবাইসম্পূর্ণ
চারজন!!! আই রিপিট, চারজনের বাপ মারা গেলো কাল রাতে…. আমি জড়িয়ে ধরি বাবাকে!!! বাবা হাতসম্পূর্ণ
এই মৃত্যুর শহরেও অভিমান হয় পাগলী? জীবন ঝড়ে যাছে,পুড়ে যাচ্ছে সব।আমারতো আরো একটা কবিতার বিকেলসম্পূর্ণ