| কবিতা | তুমিহীনতা |
| কবি | দিপংকর রায় |
| সময় | ৫ জুন, ২০২০ইংং |
| লিখার স্থান | সুনামগঞ্জ |
| কবিতার বিষয় | জীবনমুখী, বিরহ |
একসময়ের মধুর সঙ্গ পরবর্তীতে বেদনাদায়ক স্মৃতিতে পরিনত হয়ে যায়, আর তা প্রচন্ডরকম মনখারাপেরও কারন হয়।
যেমন এখন আমাকে গ্রাস করে আছে তোমার দেওয়া খণ্ডকালীন সঙ্গস্মৃতির অসুখ।
চলার পথে কোন কোন সময় অনিচ্ছা বা ইচ্ছাকৃত ভুল, কখনো কখনো ভবিষ্যৎ পালটে দেয়। আর এ থেকে সৃষ্টি হয় অসীম দুর্বিসহ যন্ত্রণার সূচনা অথবা পূর্ণতার প্রাপ্তিতে ঠাসা জীবনের পরম পাওয়া।
আমার সমগ্র ভুলগুলো শুধু ভুল হয়েই রয়।
একজীবন ভালবাসা বিলিয়ে দিয়েও মাঝে মাঝে কেবলই অবহেলা আর বঞ্চনা পেতে হয়। কেউ কেউ ভালবাসা পাওয়ার জন্য জন্ম নেয় আর কেউ দেওয়ার জন্য।
আমার খাতায় না হয় অবহেলা আর বঞ্চনারই এক ইতিহাস লেখা থাকুক।
নিজের কাছে সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর বেপার হলো, না চাইলেও যে স্বপ্ন দেখতে হয়, আর তা অনিবার্যভাবেই ভেঙে যায়। তারচেয়েও অস্বস্তিকর হয় যখন প্রিয়জন তা নিজ হাতে ভাঙে।
আমার চাওয়া না চাওয়া জুড়ে থাকা সমস্ত স্বপ্নই তুমিময়।
এক মহাকাশের ভিতরে সমগ্র গ্রহ নক্ষত্র থাকলেও সবাই যার যার আপন কক্ষপথে একাই চলে। মানুষই শুধু পৃথিবীতে সমষ্টিগতভাবে চলার অভিনয় করে ফিরে, দিন শেষে সবাই একা।
আমি বুকেতে এক মহাকাশ শুন্যতা নিয়ে ঘুরি, ভয়ংকর তুমিহীন শুন্যতা।
