বর্ষার চিঠি
প্রিয়তমাষুহিজলের বন ছুঁয়ে ঝিরিঝিরি বর্ষণে সেদিন তুমি এসে ছিলে। কেয়া, কদমের পাপড়ীতে মিশে। শালিক, শ্যামারাসম্পূর্ণ
বিরহের কবিতা সমূহ রয়েছে এখানে।
প্রিয়তমাষুহিজলের বন ছুঁয়ে ঝিরিঝিরি বর্ষণে সেদিন তুমি এসে ছিলে। কেয়া, কদমের পাপড়ীতে মিশে। শালিক, শ্যামারাসম্পূর্ণ
যার কেউ নাই তার আল্লা থাকে।আমার আল্লা ছিল না,আমার ছিলা তুমি। তোমারে আমি দেবী ডাকিসম্পূর্ণ
মনে মধ্যে বইতে থাকা অসুখের খবর প্রচারিত হয় না মুখে,আমি বলি কি, একবার;হ্যাঁ, কেবল মাত্রসম্পূর্ণ
১. তুমি চলে যাচ্ছো-বুকের প’রে হেঁটে যাচ্ছোপায়ের নুপুরে আটকে নিয়ে আমার চোখ। তুমি চলে যাচ্ছো-হেঁটেসম্পূর্ণ
তু মি হী ন এক বিকেলে-নীড়ে ফেরা পাখিগুলো ঝুলে পড়েছে আকাশে,মেঘগুলো এলোমেলো হাঁটছে;আঁধারের খোলস গিলেসম্পূর্ণ
অনেক পাখির মতো এখনো বাড়ি ফেরেনি কাদামাখা একজোড়া পা,পুকুরঘাটের বাঁধানো সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকা শামুকওসম্পূর্ণ
বৃষ্টি দেখেছিস্বপ্ন এঁকেছি –স্বপ্ন ভিজে জলে।। আজ মেঘলা মনউদাসী ক্ষণ;তবুও ভিজিনি আমি জলে। কাব্যেরা উঁকিমারে,মনজুড়েসম্পূর্ণ
এমন এক নদীর তীরে বাঁধলাম সাধের নাও-ঢেউ এর পর ঢেউ খেলে,হাল কাঁপে! আমি ভাবি-এই নাওসম্পূর্ণ
পৃথিবীর বুকে রাত নামলে আমি বড্ড বেশি একা হয়ে যাই, একটা নিস্তব্দতায় আমাকে গুমোট করে রাখেসম্পূর্ণ
কখনো কি দেখেছো, কাজল রাঙা চোখের, মায়া ভরা মুখের, সেই – অমায়িক চাহনিখানি..!?তাহলে তুমিসম্পূর্ণ
আজ এখানে বৃষ্টি হচ্ছেআকাশের মন খারাপমন খারাপ ঠিক কার মতো বুঝে উঠতে পারছি নামন খারপেরসম্পূর্ণ