মাথার উপর মানুষের সিঁড়ি দাঁড়িয়ে
মেঘ ছুঁতে চাই
রজনী পেরিয়ে আবার রজনী সুদীর্ঘ পথের অপেক্ষা
কার হৃদয়ে মহানায়িকা আমার কাছে ধ্রুববীর?
সন্ধ্যার আসন পেতে খাবি খায় কে নিদ্রায়!
কার হৃদয়ের পিনাকী মৃত নক্ষত্র হয়ে যায়
বটবৃক্ষের ফুলের মালা গেঁথে কারা নিয়ে আসে যাযাবরের রমনীদের, রাতের ঘুম উড়িয়ে। আমি উড়ো চিঠির পাতা লিখে যায়
কাকে বলবো, কে আছে আমার আপন জন!সম্পূর্ণ

আমার সকল অপূর্ব সৌন্দর্য বিস্ময়কর আলোয় মিশে গেছে
গভীর সম্পর্কের রূপান্তরিত শিল্পে, বিস্ময়কর আমার নিস্তদ্ধতা,
নির্মল-বিস্ময়ে গভীর শোকাবহবাণী ব’য়ে যায়
দিনের উজ্জ্বলতর আলোয়; শীতল আমার সকল মানবিক
সম্পর্ক, সীমাহীন সহনশীল অস্তিত্ব লুকিয়ে
থাকে সর্বত্রে, নিস্তদ্ধতার নীল আলোয়, জ্যোৎস্নায়,
পবিত্র শিশিরে স্বপ্নের
জ্যোতির্ময় রূপান্তরিত ছোঁয়ায়।
সম্পূর্ণ

ঠোঁটের কোণে কিভাবে ঢেউ খেলে যায় শরীর থেকে শরীরে গভীরভাবে
আলিঙ্গনের পর কতক্ষণ কাঁপতে থাকে আমাদের অভ্যন্তরে ভেজা রক্তপদ্মে;
অমল জ্যোৎস্নায় ছুঁয়ে দেখছ তা-কখনও, কেঁপে-কেঁপে স্বপ্নের গভীরে
সব ভুলে গেছি রূপান্তরের স্বপ্নলোকে; আঙুলের কোমল ছোঁয়ায়, শিহরণে
তোমার অপার্থিব হীরকখচিত স্বর্ণের শরীর, ঢেউ খেলানো মসৃণ সৌন্দর্য আর
সম্পূর্ণ

মাঝে, চাঁদ ও জ্যোৎস্নার ভিতর আমি যেন দাঁড়িয়ে আছি কয়েক কোটি বছর ধ’রে, সেই সৌন্দর্যের পথে আমি হেঁটেছি অনিবার্য দিনে; বু’কের গভীর শূন্যতায় তাঁকে লুকিয়ে রাখি অমল শুভ্রস্পর্শে ; যেন বেঁচে থাকে আমার সমান বয়স নিয়ে অশ্রু ছোঁয়া হৃদয়ে গোপন নিসর্গ নীলিমায়, নীলছোঁয়া প্রোজ্জ্বল ঠোঁটে বিস্তৃত আঁখিকোণে;
সম্পূর্ণ

সে বসন্তের পাতার
পত্র ঝলসে গেছে,হয়ত
কোন তৃতীয় কারোর আঁচে।।
এ বসন্তে প্রেম
উষ্ণ মহামারী হয়ে আসুক,দেখি
তোমার অভিযোগেরা কিসে বাঁচে!সম্পূর্ণ