হৃদয়ের ভিতর কয়েকটি বিশ্বযুদ্ধ
হৃদ্যতা নেই শুকনো নদীর মত হাহাকার
কীটপতঙ্গদের বারবাড়ন্ত এগিয়ে
শোষণের নীতি মানুষ চেনে না
আবিষ্কারের সূত্রে পুড়ে যায় অজস্র ঘর
আসামীরা সাধারণ মানুষের চোখের জলে শুদ্ধি লাভ করে।

সম্পূর্ণ

“আজকের এই দিনে তোমাকে ভালোবাসি তা করেছিলাম প্রকাশ,
বন্ধু হয়ে থাকবে আজীবন দিয়েছিলে এ আশ্বাস।
আজ আমাদের মাঝে নেই যোগাযোগ, নেই আর বন্ধুত্ব,
তোমার আর আমার মাঝে আজ
এক আকাশ দূরুত্ব।
সম্পূর্ণ

নীরুবালা—তুমি আমার থেইকা যেভাবে মুখ ফিরাইয়া নিলা
আমার মনে চায় আবার মরতে
নীরুবালা—তুমি কী কখনও আমার কাছে আইবা না
পাশে বইসা দুই একটা কথা কইবা না
আগেকার কথা মনে কইরা আমারে ঝাটকি দিবা না
নীরুবালা—আমার মনে চায়
দৌড়াইয়া তোমার কাছে চইলা যায়
কিন্তু আমার তো হাত–পা–ঠোঁট সব বান্ধাসম্পূর্ণ

ঘুমশিশুর আগমনে মৃতদের উল্লাস,
বেজে ওঠে বিচ্ছেদের সাইরেন,
বাস্তবতার এক অসম্পৃক্ত মিশ্রণে কেউ কেউ সত্য প্রেমপত্র হাতে দাঁড়ায় জনসমুদ্রের তীরে,
ডাকে সেই কাকের সুরে,সেই কালো কাক,
শহরের সমুদ্রে যার নিষ্প্রভ বিচরণ,
প্রেমের আহ্বানে শুনতে পায় মৃত্যুর গানসম্পূর্ণ

পূরবী—তুমি দেখে নিতে পারো সবকিছু
বৃত্তের কেন্দ্র–শিশির কণা–করোনারি ডিজিস–প্রবাল দ্বীপ
আধ্ খাওয়া সিগারেট কিংবা ঘন হয়ে আসা চোখের নীল অন্ধকারসম্পূর্ণ