জীবনের অপ্রয়োজনে নিদ্রা করি বিসর্জন
আরেকটু জাগি, নিশি করি আপন
আধার যেন হৃদয়ের বন্ধু; তীব্র করে আবাসন
জাগে স্পৃহা-প্রেম অথবা বিদঘুটে আচরণ।সম্পূর্ণ

বুকের ভেতর মস্ত বড় পাথর আছে জমা,
সরেও না, ভাঙেওনা বড্ড দেয় জ্বালা
দম বন্ধ লাগে, ভার হয়ে যায়; ওজন গেছে বেড়ে
কোন অস্ত্রে ভাঙবে পাথর ? খুব দিশেহারা!সম্পূর্ণ

ঐ কাপড়ের আড়ালে ঝুলে থাকা স্তন কাল নষ্ট হবে
পেটের পড়তে থাকা ভাজ, কর্দাকার কালো দাগ
কাল ভেসে উঠবে। এই নাও টাকা; সারিয়ে নিও
আমি ভালোবাসা খুজে নিব নদীর ওপারে।সম্পূর্ণ

সব কেমন করে বদলে গেছে জানি
এখন আর হয়না বাড়াবাড়ি, হয়না আড়ি
মূল্য বুঝি কমে গেছে আমার;
মূল্য বুঝি বাড়াতে হবে আবার।
তবে কালো হৃদয়ের মূল্য দেবে কে?
কেজি দরে মাংস বেচে মূল্য পাব কি?সম্পূর্ণ

আমার হাত-পা কেন কাপঁছে ?
চোখের সামনে নিথর দেহ পচে গলে যাচ্ছে
কাঁকেরা সব কই, ডাক শকুনের দল
এখনো কেন শান্তির আশায় মন উচাটন হচ্ছে
কই? সবাই কেন হাসছে, মনে মনে খুব বুঝি গালিগালাজ করছে।সম্পূর্ণ

তবু যার কথা ভেবে তিন ঘন্টার পথ হয় শেষ
আমি সে নারীর প্রেমে পড়েছি,
স্বপ্নে নয়, হাতে রেখে হাত পাড়ি দিব দিন রাত
জীবনের বাসে তারে যেন পাই পাশে,
নাই-বা পাই, তবুও যেন স্বপ্নে থাকে; হালকা ঘুমে
ঘোর হয়ে থাক, এই আঁকা-বাঁকা রাস্তা
নিমিষেই শেষ হয়ে যাক।সম্পূর্ণ

কি গভীর রাত। আকাশে চাদের ছিটে ফোটা নেই,
মেঘে মেঘে ছেয়ে গেছে সব, দূরে কোন আলোর বিন্দুইও দেখিনা
এলাকার সব স্ট্রীট লাইট গেছে ঘুমিয়ে, কুকুরেরা গেছে নিশি ভোজনে
গাছের পাতারাও যেন স্তব্ধ, কোথাও বুঝি নিম্ন চাপ হচ্ছে,
আমার কী-বোর্ডের টাপ টুপ শব্দ ছাড়া সব জীবনের মত স্তব্ধ
যেন তাঁরা দোটানায় ভূগছে, আমার মত।সম্পূর্ণ

দূর থেকে কান্নার আওয়াজ পাই,
কত কিছু ঘটে যায় চারপাশে
ত্রিশ মিনিট দেড়ি হলেও ট্রেন আসে,
এক ঘন্টার জ্যামের পরেও প্রিয়জন বাসায় ফেরে
আমি কেন একা দাঁড়িয়ে, এই মধ্যাহ্নে
একা, অপেক্ষায় ? হলুদ ফুল হাতে।সম্পূর্ণ

আমরা নিসঙ্গতায় সঙ্গ খুজি,
নিজের মত মানুষ খুজি,
নিজের মত মানুষ বানাই,
খুব কাছে এলে, দূরে সরে গিয়ে আবার একলা হই।

আমরা এমনি, সঙ্গিহীন, সঙ্গহীন অথবা নিরুদ্দেশ;
যাই করি নাই করি, নিজের মত মানুষ খুজে জীবন পার করি।সম্পূর্ণ

পচা এখন দূর্গন্ধ পাই,
খাবেকি শকুন, মাটি দিবে কি ঠাই ?
কাদবে কি কেউ লাশের পাশে বসে-
যদি পারতাম প্রশ্ন করতাম শেষে,
এতো অভিনয় কোথায় রেখেছিলে ?সম্পূর্ণ