শুনুন,যারা এদেশের মস্তক রন্ধ্র-বিবর করে চুষে খাচ্ছে
ঐ সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ী, অসুর পুঁজিবাদী,শিক্ষার দোকানদার,
চিকিৎসার দালাল,ঘুষখোর আমলাকে অঞ্জলি দিতে ;
এমন তৈল ম্রক্ষণ কবিতা আমি লিখবোনা।সম্পূর্ণ

আজ শ্মশানের শব উঠেছে জেগে জ্বালাতে সকল শ্মাশান,
কে আছো বন্দি মুক্ত হতে ? শোনো রক্ত-যুগের আহবান।
কে পড়ে আছো হাতে আর পায়ে দাসত্বের অশুভ বেড়ি ,
কার গলায় ঝুলে ভীত করে রাখে মিথ্যা ফাঁসের দঁড়ি;
ভেঙে ফেলো মিথ্যার প্রাচীর,ছিঁড়ে ফেলো ফাঁসের রশি!
আজ মিথ্যার মহা-সংহার হোক,সত্যের দীপন জ্বলুক দিশিদিশি।সম্পূর্ণ

এসব রক্তপাত দেখে আমি বলেছিলাম,-“হে স্বাধীনতা,-এবার তুমি, তোমার ঐশর্যময় শক্তি দেখাও! ”

অত:পর ডুবে যাওয়া বিভ্রান্ত ছায়ার মতো স্বাধীনতা
আমার দিকে ঘুরে বললো,- “আমার শক্তির বীজ বপন করো তোমাদের উর্বর সাহসী হৃদয়ে”।সম্পূর্ণ

এরা শুনতে পায় না-বুলেটের স্ফুলিঙ্গ অগ্নির ছর্রা ধ্বনি!
ষোড়শী-কন্যার সম্ভ্রম-হারা অপ্রকাশিত ক্রন্দন-
নির্যাতিত-নিগৃহীত সর্বস্বান্তের উচ্চ-রোল ।

এরা গন্ধ পায়না-অর্ধগলিত পঁচা লাশের যে গন্ধ উড়ে বাতাসে,
এরা দেখতে-শোনতে- শুঁকতে পায়না নিদ্রায় আত্ম- বিস্মৃত,
এদের আঁখি-বন্ধ, স্তব্ধ শ্রবণেন্দ্রিয়,রুদ্ধ ঘ্রাণেন্দ্ৰিয় এরা মৃত।সম্পূর্ণ

কে শোনে কার আকুল আহুতি!
সত্যকে মিথ্যায় আর মিথ্যাকে সত্যের ক্রুতু আরতি।
সত্য মিথ্যার বাটখারায় সত্যের গলে উদ্বন্ধন-রশি,
সত্যকে গ্রাসে মিথ্যা হাসে পুষ্পের হাসি-
এই ন্যায় মন্দিরে,
সংখ্যাতীত কত মোকদ্দমা জরতি ইতিহাসের মতো
আজো অন্ধকার কুঠিরে পাষাণ পুঞ্জে ঝুলন্ত।সম্পূর্ণ

কবি এঁকেছেন,- রাষ্ট্রের একটি ভয়ংকর ভীমদর্শন চিত্র!
মানচিত্রের চতুর্পাশে অনাগত দুর্ভিক্ষের ভয়দ ছাপ,
দেশের কতক জাতি আর প্রদেশের ধ্বংস বিধ্বস্ততার সাংকেতিক কিছু চিহ্ন;
আবহমান জনতার দুঃখ-ধূসর কোটি-কোটি মুখ!সম্পূর্ণ

আজ সভ্যতার সড়কে চড়ে বেড়াচ্ছে কিছু অসভ্য শুয়োর,
ফন্দিবাজ শিয়াল ও মাংসভুক গৃধ্রের দল;
সাধারণ জনতার রক্তচুষে চিরে-চিরে খাচ্ছে মাংস, হিংস্র আঁচড়ে জখম করছে গণতন্ত্রের গহীনে ;
দুমড়ে-মুচড়ে চর্বন করছে মানবতার মহা-কঙ্কাল।সম্পূর্ণ

ভাষা-বীর রফিক-সালাম-বরকত
বুকের টুকটুকে টাটকা রক্তে রাঙিয়ে ছিলেন,-
গোধুলি আকাশ, ফুল ও বসন্তকে লাল রক্ত-রাগে।সম্পূর্ণ