দিবি না রে সখা!
বিকেল হলেই নিরজনে বসে দু’চোখের নীরে ভাসি, দিবি না রে সখা একবার এনে শাপলা ফুলেরসম্পূর্ণ
বিকেল হলেই নিরজনে বসে দু’চোখের নীরে ভাসি, দিবি না রে সখা একবার এনে শাপলা ফুলেরসম্পূর্ণ
একটি কথা-ই শুধু চেয়েছিনু পেতে গোধূলির মতো যার বুকে রবে সুকোমল ধারা, অতল বন্যার জলেসম্পূর্ণ
জলের অতলে আজ ঘুরে এক চাঁদ
বুকের পাঁজরে তার খেলা করে লহরিরা হেসে,
বারে বারে ঢেকে দেয় অমানিশা মুখ
ক্ষণিক কিরণ কিছু পৌঁছে না এ’ পৃথিবীতে এসে।সম্পূর্ণ
অনেক লিখেছি আমি ও’ পথের কথা
লিখেছি অনেক গান শালিকের গাইতো যা সেম,
বুঝতে চেয়েও কিছু পারবে না কেউ
জানবে না কোনদিন
ক্যামনে পাঁজরে জাগে হেম।সম্পূর্ণ
সরষে ক্ষেতের পাশে ছাগলের ছল চোখেই পড়ে না আর, ক্ষণকাল দেখেছো কি তুমি? বাহারি শীতেরসম্পূর্ণ
একদিন শেষ হবে জীবনের খেলা, হয়তো ভাববে বসে গোধূলির বেলা। উড়ে যাবে মাছরাঙা ঠোঁটে নিয়েসম্পূর্ণ
নক্ষত্রের আলো নামে পৃথিবীর দেহে
পৃথিবীর ছায়া যদি অনুরূপ যেতো ওই দেশে,
হয়তো কারোর বুক অগোছালো পেয়ে
কার্তিকের বেনোজল ঘুরতো না ক্ষণকাল এসে!সম্পূর্ণ
হাজার বছর আমি করলাম গত পৃথিবীর এই বুকে পেয়েছে কে এতো আয়ু? একশত বছরই তোসম্পূর্ণ
হেমন্ত কি ক্ষয়ে গেছে জানো মধুরিমা? ঢেঁকির শব্দই আজ আসে না যে তৃষ্ণার্ত দু’কানে! চাঁদনীসম্পূর্ণ
উজান গাঙের নাইয়া তবু চাই না ভাটির টান, পৌঁছবো আমি হোক যে করে হিজলতলীর ঘাটে!সম্পূর্ণ
হয়েছে হলুদ ঘাস বাঁ পাঁজরে ম্লান ঝলকে পড়ে না আর সোহাগিনী যমুনার জল, খুঁজতে গেলেওসম্পূর্ণ
তোমাকে ভাবতে পারি হয়তো বা বলে
এ’ হৃদয় করে ক্ষয়,
আনত সুরুজ দেখি গোধূলির বাটে
প্রভাতে রাঙা উদয়!সম্পূর্ণ
কেঁদো না শালিক তুমি হিজলের ডালে গোধূলি বেলার এই ধারে, তোমার মায়াবী চোখে দেখলে গোসম্পূর্ণ