তবুও বইতে হয়! (অণু)
একবার গেলে চিল নক্ষত্রের দেশে
কখনো ধরার বুকে জানি আর পড়বে না ছায়া,
তবুও বইবে এক হিজলের ডাল
বসতো বলেই তার আজীবন দু’চোখের মায়া!সম্পূর্ণ
একবার গেলে চিল নক্ষত্রের দেশে
কখনো ধরার বুকে জানি আর পড়বে না ছায়া,
তবুও বইবে এক হিজলের ডাল
বসতো বলেই তার আজীবন দু’চোখের মায়া!সম্পূর্ণ
মেঘের কুন্তলে আজও গুঁজে দিই আমি
পড়ন্ত বিকেলে জাগা ফাগুনের সোনালী ঝিলিক!
নভোর শুভ্রতা করি যতনে লালন
নবীন পাতারে দিতে ফাগুনের সোনালী ঝিলিক!
দাঁড়ালে এহেন বেলা ভীতি তুমি দলে,
বাতাবি ফুলের ঘ্রাণ বাসতাম খুব ভালো বলে!সম্পূর্ণ
বেঁধেছে হিঙ্গুল মেঘ বাসা এ’ মননে হেরেছে স্বপ্নের চেনা জ্যোতি, দুখের দহনে মন করেছে স্বীকারসম্পূর্ণ
মিটে যাবে একদিন সব লেন-দেন জীবনের খেরো খাতা কখনোই জাগবে না ফের, তবুও রয়েই যাবেসম্পূর্ণ
করবে দখিনা বায়ু মৃদু কানাকানি ছড়ায়ে পুষ্পের ঘ্রাণ মেখে দিতে নিশাচরী ভালে, হঠাৎ দাঁড়াতে চাইসম্পূর্ণ
তোমাকে খুঁজতে যাবো হে আমার সারি! তোমাকে খুঁজতে যাবো হিম হিম হিজলের ছায়, যেখানে অবাধেসম্পূর্ণ
যাকীর মাথে বসছে মাছি পেয়ে চুলে আঁশটে ঝোপ, দেখেই সাকী মারতে রোষে হানছে জোরে কাচিরসম্পূর্ণ
অনুগত হাত দু’টি মোর তুলছি আশার বন্দরে, ফিরাইও না আজ গো প্রভু অধম বলে মানসম্পূর্ণ
যতোই এসে গ্রাস করুক মন সংজ্ঞা হারা দুখের ঢল, বলেছিলি সুখ দিবি খুব আস্থা রোপেসম্পূর্ণ
রাত-দিবসে সঙ্গোপনে নিজের সাথে ফের যুঝি, তুমিই জানো কোন বা আশে কারে আমি রোজ খুঁজি।সম্পূর্ণ
কাঁদলে কি আর আসবে ফিরে যে গিয়েছে ওই পাড়ে – তবু কেনো তারেই খুঁজি আঁধারে!সম্পূর্ণ
আমারি কারণে যদি হোক সঙ্গোপনে
কখনো ঝরিয়ে থাকো ফোঁটা দুই তপ্ত অশ্রুজল,
দিলাম তোমায় কথা এই অবেলায়
না গড়ে যাবো না আমি আরেকটা সায়র অতল!সম্পূর্ণ