অচিনপুরের যাত্রী (অণু)
বিশেষ টিকেট হাতে নিয়ে ভাববে যখন ইস্টিশনে, অচিনপুরের যাত্রী আমি এইতো এখন চড়বো ট্রেনে! আসবেসম্পূর্ণ
বিশেষ টিকেট হাতে নিয়ে ভাববে যখন ইস্টিশনে, অচিনপুরের যাত্রী আমি এইতো এখন চড়বো ট্রেনে! আসবেসম্পূর্ণ
বিরান গৃহের গায়ে নাম হীনা ফুল কবে যে ফুটেছে বুঝি জানে না তা বিভু, কালেরসম্পূর্ণ
আন্ধার কর্কশে নিচ্ছে হৃদয়ে ধ্বসে বসে আছি আমি একা তটিনীর ঢালে, তুমিও আমার মতো নির্ঘুমসম্পূর্ণ
ঘুরতে ঘুমে দিন যদি যায় করতে এসে কয়েক দিনের খেলা, আকাশ ছুঁতে ধাপ গড়েছ বুঝবেসম্পূর্ণ
জোনাই রে তুই মেলিস কেন আঁখি! তোর বুকে কি আমার সখী সোহাগ গেছে রাখি –সম্পূর্ণ
রোজ দেখি তদবিরে – কতো লোক ঘুরে ফিরে রঙে রূপে মনে হয় একই প্রাণ, সকলেরইসম্পূর্ণ
আড়াল থেকেই হোক না ছোট হতাম কবি তবু! বলতো যদি কাছে এসে একটুখানি ভালোবেসে কুঞ্জবনেরসম্পূর্ণ
ভীষণ দরিদ্র আমি, কতোটা তা নিম্নমুখী চিত্তও জানে না যা জানেন অন্তর্যামী। ক্ষনিকও জাগে নাসম্পূর্ণ
আর কতকাল সইবো দয়াল জান যে আমার পাখি না – ক্যামনে তবে দেখবো সোনার মদীনা!সম্পূর্ণ
দখিনা বাতাসে যদি সাজালে ভাদর, কেনো তবে সুহাসিনী চষো ও’ গগন! দিবে না ব্যাকুল এসম্পূর্ণ
মনে কি পড়ে না পাখি আমার কথা নির্জনে – আজ ঘুরিস তুই কার তালাশে কোনসম্পূর্ণ