প্রতিবিপ্লবের দরোজায়
হয়তোবা কিছুদিন পৃথিবীর আলোছায়ায়
বুভুক্ষু মানুষের দল আহাজারি করবে,
অনাহারে তাঁদের কেউকেউ চলে যাবে
চির অন্ধকার মাটির গহব্বরে!
কেউকেউ বিত্তের-কেউবা চিত্তের রাজত্ব হারাবে!সম্পূর্ণ
হয়তোবা কিছুদিন পৃথিবীর আলোছায়ায়
বুভুক্ষু মানুষের দল আহাজারি করবে,
অনাহারে তাঁদের কেউকেউ চলে যাবে
চির অন্ধকার মাটির গহব্বরে!
কেউকেউ বিত্তের-কেউবা চিত্তের রাজত্ব হারাবে!সম্পূর্ণ
আড়মোড়া ভেঙে দেহের সাধনায় মত্ত হতে গিয়ে
ছিঁড়ে কুটে ফেলি সমস্ত আকাঙ্খা…
শরীর এবং কবিতা একবর্ণে শুষে নেয় প্রকৃতি সম্পূর্ণ
সময়ের খোসাবেধ করে বেরিয়ে আসে
গোখরো পরাণ, করাঘাতে ঝাঁজরি ছুটে,
রঙ্গমহলে সঙ্গমরত নটকীর নাট্যশালা
আয়নায় ভেসে উঠে শৃগালের প্রতিবিম্ব!
সম্পূর্ণ
তোকে পুরুষ বলতে আমার আপত্তি কিসের?
যদি তোর চোখের তারায় ফুটে ওঠে বিশ্বাসসম্পূর্ণ
হৃদয়ের ধূ-ধূ বালুচর হয়ে যাক
জলবতী নদী।
ভাসিয়ে দাও নপুংসক পুরুষাঙ্গে
বয়ে চলা বীর্যের স্রোত।সম্পূর্ণ
চারদিক থেকে ভয়ার্ত কয়েকটি চোখ তাকিয়ে থাকে
বুকের খুব গভীরে পুনঃ পুনঃ পতনের হুংকার….সম্পূর্ণ
প্রায়শ স্বপ্নের ভেতর
কালো গোখরাটি ঘুরেফিরে আসছে,
মাঝেমাঝে গোঙানো শব্দসংক্রমে
রাত হয়ে যায় অচেনা কোনো গ্রহ।সম্পূর্ণ
আমাকে সাপের মতো
পেঁচিয়ে শক্ত করে ধরো।
হৃদপিণ্ডে…
তোমার স্পন্দন শুনতে পাই।সম্পূর্ণ
সেমিটিক সভ্যতার আদিলগ্ন থেকে অদ্যাবধি জীবন মৃত্যুর উপাখ্যানে…
কতিপয় আত্মা ঘুরে বেড়ায় ,
কখনো কখনো নগ্নতায়,কখনোবা যান্ত্রিকস্তরের শাখা-প্রশাখায় হেঁটে হেঁটে…সম্পূর্ণ
সে তাঁর পবিত্রতা রক্ষা করতে পারিনি!
কেননা সে একজন নারী,
গোলাপের পাপড়িযুক্ত তাঁর শরীর।সম্পূর্ণ
যৎকিঞ্চিত আলো-
আলোড়নে পিছুমোড়ায় বিদগ্ধ অতীত।
আমার বিস্মিত চোখ জোড়ায় ঢুকে গেছে কলাকান্দা গ্রাম।
সেখানে মৃত্তিকার বুকে জেগে উঠে সম্পূর্ণ