বর্ষার চিঠি
প্রিয়তমাষুহিজলের বন ছুঁয়ে ঝিরিঝিরি বর্ষণে সেদিন তুমি এসে ছিলে। কেয়া, কদমের পাপড়ীতে মিশে। শালিক, শ্যামারাসম্পূর্ণ
প্রিয়তমাষুহিজলের বন ছুঁয়ে ঝিরিঝিরি বর্ষণে সেদিন তুমি এসে ছিলে। কেয়া, কদমের পাপড়ীতে মিশে। শালিক, শ্যামারাসম্পূর্ণ
আঁখবনে ছায়া নড়ে।মধ্যরাত দুলে ওঠে শীতের বাতাসে। ছায়া নড়ে- এতোরাতে কার ছায়া? কুয়াশায় কাঁপে কারসম্পূর্ণ
ছেলেটা বললো, এভাবে চলতে পারে না, সবকিছু ভেঙ্গেচুরে যাচ্ছে,তার এক হাতে চায়ের কাপ, অন্য হাতেরসম্পূর্ণ
১. তুমি চলে যাচ্ছো-বুকের প’রে হেঁটে যাচ্ছোপায়ের নুপুরে আটকে নিয়ে আমার চোখ। তুমি চলে যাচ্ছো-হেঁটেসম্পূর্ণ
একটি কবি আঙুল চোষেদারুণ ক্রোধে, দারুণ রোষে। একটি কবি ভোগাস লেখে, কখনো সোজা, কখনো বেঁকে।সম্পূর্ণ
রাত্রির আকাশ এতো বিষাদময়?অবলীলায় ছুঁয়ে ফেলে শীতল শরীর!রজনীগন্ধারা জেগে থাকে,পাখিরা খুঁজে ফেরে নিজস্ব নীড়। টিনের চালেসম্পূর্ণ
মসৃণ বালুদ্বীপ বিছানো পায়ের ছাপ যেখানে নীলজল ঠেকিয়ে মাথাধুয়েমুছে দেয় আমাদের ফেলে আসা পা। কতটাসম্পূর্ণ