মহাপ্রলয়ের ফুৎকার
আমি খোদার মাটিতে মিশে যাওয়া বাবরীর মহা টুকরা। আমি অপিবত্র, আমি অশান্তি, আমি পৃথিবী করেছিসম্পূর্ণ
আমি খোদার মাটিতে মিশে যাওয়া বাবরীর মহা টুকরা। আমি অপিবত্র, আমি অশান্তি, আমি পৃথিবী করেছিসম্পূর্ণ
লাল-হলুদ কাচের জানালার দিকে তাকিয়েসেদিন অকস্মাৎবিকেলের অপরিচ্ছন্ন মুহূর্তে আমিজটিলতাহীনসূর্যরশ্মির দিকে চোখ মেলে“পোপের সাম্রাজ্য আরতাঁর আসুখেররহস্যময়সম্পূর্ণ
আমি সুহাসিনীকে চিনতাম না।অবশ্য, সুহাসিনী আমায় চিনতো। আমি জানতাম, সুহাসিনী কবিতা ভালোবাসতো!সুহাসিনী!অবশ্য, বাসায় নাকি সবাইসম্পূর্ণ
চারজন!!! আই রিপিট, চারজনের বাপ মারা গেলো কাল রাতে…. আমি জড়িয়ে ধরি বাবাকে!!! বাবা হাতসম্পূর্ণ
মিথের মতো মৃত্যু এসেছে দেশে দেশেবেডরুমের জানালার এপারে-ওপারে একেকটা ঘর যেন একেকটা বন্দিশালাশেকল যেখানে দেয়ালেরসম্পূর্ণ
বেদুঈন এর বক্ষ ছিঁড়ে, জানালার ওপারে দীঘিনালার শ্মশানে পুড়িয়েদে!হৃদে আটকে থাকা শকুনে এসে দেখে যাক–সম্পূর্ণ
আত্মহত্যা ক্ষনিকের আত্মতৃপ্তিতে সিক্ত হয় আত্মা। তবে কি ক্ষনিকের আত্মতৃপ্তির পানে,সামান্য অসংগতি/ব্যত্যয় কি নিতান্তই তুচ্ছ?আত্মারসম্পূর্ণ
তথাস্তু বলিয়া নহে যথাস্থ!হচ্ছি দিবারাত্রি পরাস্ত,দিব্যজ্ঞান সব হাঁকিয়াছে শাস্ত্র,বিপদসীমা হইয়াছে মস্ত! বলাতে, চলাতে সর্ব বাক্যেইসম্পূর্ণ