| কবিতা | এমন বালের যাপন আমার |
| কবি | মার্সেলিন কুইয়া |
| সময় | জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ |
| লিখার স্থান | সুভেনীর |
| কবিতার বিষয় | জীবনমুখী, বিরহ |
চারজন!!!
আই রিপিট, চারজনের বাপ মারা গেলো কাল রাতে….
আমি জড়িয়ে ধরি বাবাকে!!!
বাবা হাত ছাড়িয়ে মুখে মাস্ক এঁটে চলে গেলেন অফিসে!
বস কথা দিয়েছে,
আগামী মাসেই নাকি ইনক্রিমেন্ট বাড়বে তার!!!
মায়ের দিকে তাকাই,
চোখে গগলস, গ্লাভস, মাথায় টুপি পড়ে বেরিয়ে গেলেন মা!!!
চলে গেলেন সিএমসি।
এক সপ্তাহ আগে গিয়েছিলাম আমিও!!!
গোলাপী পিপিই পড়া মায়ের দিকে তাকাতেই মনে হলো, পরী!!!
আমার মা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারী; একথা আমি কখনোও বলিনি তাকে।
আমি হাসলাম!!!
এখন, আমি, বৎসরে রুটিনমাফিক দু’বার সাপ্লি খাওয়া ব্যাচ পেছানো মেডিকেল স্টুডেন্ট, অথবা, মৃত্যুভয়ে ধুঁকতে থাকা একজন কবি-
একা বাসায় কফির মগে চুমুক দিই-
সিগারেট ধরাই,
শোনা গেলো, গত পরশু রাতে চারতলায় মারা গেলো এক রিপোর্টারের মা!!!
আমি আহাজারি করি কবিতায়-
তাতে বাল-ই ছেঁড়া যায় ;
আমার নিজেরই ভয়াবহ মিছে মনে হয়!!!
অনুর ছবি ফুটে ওঠে স্ক্রিনে-
সাড়ে দু সপ্তাহ আগে মা মারা গেলো তার;
ইদানিং করোনা পজেটিভ আমার প্রেমিকা ও প্রেমিকার বাবা দুটো আলাদা রুমে আইসোলেশনে।থাকে।
আমি অল্টারের দিকে তাকাই….
ক্রুশে দু’হাত মেলে মুচকি হাসছেন যীশু!!!
আমি শুধু আমার লিখিত পুরনো দুই লাইন আওড়াই!!!
“মহাজন,
মুক্তি দাও…
সুদের পয়সা নেই!!!”

বাহ চমৎকার