উদ্যানে পুষ্করিণী
বড় রম্য স্থলে বাস তোর, লো সরসি!দগধা বসুধা যবে চৌদিকে প্রখরেতপনের, পত্রময়ী শাখা ছত্র ধরেশীতলিতেসম্পূর্ণ
বড় রম্য স্থলে বাস তোর, লো সরসি!দগধা বসুধা যবে চৌদিকে প্রখরেতপনের, পত্রময়ী শাখা ছত্র ধরেশীতলিতেসম্পূর্ণ
কুয়াশার ফুল থেকে তুলে নেব নীল প্রত্যাখ্যান- পরাণ গায়েন ডাকবে আবার ‘অচিন পাখির গান শুনেসম্পূর্ণ
শতাব্দীর এই ধূসর পথে এরা ওরা যে যার প্রতিহারী।আলো অন্ধকারের ক্ষণে যে যার মনে সময়সাগরেরক্লান্তিবিহীনসম্পূর্ণ
দেখা হল অনেক রক্ত রৌদ্র কোলাহল;চারিদিকে অধোমুখে মানুষেরা শব বহন করে;আজকে শতাব্দীতে মৃত্যু প্রথম কথা।সম্পূর্ণ
এই পৃথিবীতে আমি অবসর নিয়ে শুধু আসিয়াছি — আমি হৃষ্ট কবিআমি এক; — ধুয়েছি আমারসম্পূর্ণ
অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ,যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দ্যাখে তারা;যাদের হৃদয়ে কোনোসম্পূর্ণ
অনেক মুহূর্ত আমি করেছি ক্ষয়করে ফেলে বুঝছি সময়যদিও অনন্ত, তবু প্রেম যেন অনন্ত নিয়ে নয়।সম্পূর্ণ
মাছরাঙা চ’লে গেছে — আজ নয় কবেকার কথা;তারপর বারবার ফিরে এসে দৃশ্যে উজ্জল।দিতে চেয়ে মানুষেরসম্পূর্ণ
শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতেঅলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের ক্ষেতেমাঠের ঘাসের গন্ধ বুকেসম্পূর্ণ