| কবিতা | এনকাউন্টার এবং… ….. |
| কবি | আজিজুল হক |
| উৎসর্গ | দেশ প্রেমিকদের |
| লিখার স্থান | কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ |
| কবিতার বিষয় | আশা, জীবনমুখী, প্রতিবাদ, প্রেম, বিরহ, ভারতবর্ষ, মৃত্যু, রাজনৈতিক, রূপক, সমসাময়িক |
রহিম চাচার মেয়েটা যখন প্রচন্ড প্রসব যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো,
সেটা তোমার চেয়ে আমার ভালো বোঝার কোন কারণ নেই,
কিন্তু সালমার সে যন্ত্রনা তোমায় স্পর্শ করতে পারেনি,
কেন না সালমা স্নেহা ছিল না।
আসলে মানুষের রক্ত যে লাল,
তুমি তা স্বীকার করতে জানো না।
আখলাখ চাচা কে যেদিন ওরা পিটিয়ে মারল,
সেদিন তুমি ভগবানের দোহাই দিলে!
অথচ নিবারণের বেলায় তুমি অস্র হাতে তেড়ে এলে..
আমি লক্ষ্য করছিলাম আসলে
তোমার মাঝে নিজের ব্যর্থতা গুলোকেই..
আমার মায়ের প্রচন্ড প্রসব যন্ত্রনায়
জন্ম নেয়া অগ্নিকুন্ডে কোন এক ভারত কন্যার বীভৎস যন্ত্রনা
আর আগুনের অসহায়তা...
উফঃ...কি বীভৎস!
আসলে তুমি তো মানুষ ছিলে না!
ভগবান বটে!!
এক দশকের ভালোবাসায়, কি হয়, বল?
আমি তো মৃত্যুর পরেও ভালোবাসতে পারি
আঁকড়ে ধরে রাখতে পারি অনন্ত আকাশ।
চিলেকোটার নোংরা জমানো ইসৎ খোলা জায়গা গুলোতে জমিয়ে রাখতে পারি কয়েক দশকের অভিমান..
বিষল্যকরোনি তো দূর ছাই,
আমি আস্ত একটা ঈশ্বরের জন্ম দিতে পারি আমার ভালোবাসায়।
আদম - ইভ কিংবা এনকাউন্টার - সব জুড়েই ছল -চাতুরীর মেঘা ইভেন্ট -
ইতিহাস বদলানোর শাসকের রক্তচক্ষু,
তোমার আমার রক্তেকেই পাল্টে দেয় --
রাম - রাবনের লড়াই আমাদের ভালোবাসায় বেঁচে থাকে অতৃপ্ত শুভ কামনায়..
পার্কের নিরালায় তখন সবে হারানোর পালা শুরু --
তোমার উন্নত বুকে মৃদু - মন্দ বাতাস,
ছুঁয়ে দিচ্ছে শকুনির পাশার চাল!
শালা, এভাবেও ঈশ্বরের জন্ম হয়!!