চৈত্র শেষে বৈশাখ
ঝাপসা গরম আপসা নয়ন তিরিশ দিনের—আয়ু, চৈত্র তোমার দিন ফুরালো প্রখর তাপে বায়ু—। মন বসেনাসম্পূর্ণ
চলমান প্রেক্ষাপটে লেখা সমসাময়িক কবিতা গুলোর জন্য এই পাতা।
ঝাপসা গরম আপসা নয়ন তিরিশ দিনের—আয়ু, চৈত্র তোমার দিন ফুরালো প্রখর তাপে বায়ু—। মন বসেনাসম্পূর্ণ
নববর্ষে হোকনা শপথ থাকবো মিলে—ভবে, জরাজীর্ণ জগতটাকে গড়বো নব—সবে। ধনী-গরিব বিভেদ ভুলে রইবো একই—সাথে, বিপদকালেসম্পূর্ণ
পহেলা বৈশাখ নিয়ে কেন হইচই
পহেলা বৈশাখ না থাকলে বাঙালিত্ব কই?
পহেলা বৈশাখ না থাকলে থাকবে না বাঙালি জাতি
পহেলা বৈশাখ বাঙালির আঁধার ঘরের বাতি।সম্পূর্ণ
ঘর বাহিরে চলছে বেড়ে ঈদের আমেজ রোজ। নিত্য নতুন আসছে জামা কিনছে বাবা চাচ্চু মামাসম্পূর্ণ
পৃথিবী সত্যিই অদ্ভুত।সবাই প্লাস্টিকের গোলাপ কিনে বাড়ি নিয়ে যায়; না থাক তার গন্ধ বা জীবনেরসম্পূর্ণ
আমাকে কেন এত ধিক্কার দেস তোরা আমি ইচ্ছে করে কি হবু স্বামীর জীবন বাতি নেভানোসম্পূর্ণ
ঝলসে যাওয়া মাংস গুলো
চিনতে পারছো কি ?
একটূ ছিঁড়ে খেয়ে দেখো
গরু,শুয়োর না মানুষই ?সম্পূর্ণ
সেখানেই ভালোবাসা ফিরে পাক তার হারানো চেতনা সব
বহুদিন বিপ্লব না দেখা একটা পৃথিবী ফের একবার দেখুক বিপ্লব।
যেন না আর ফিরে আসে ঘরে,পৃথিবীকে শতভাবে শতভাগে
ভাগ-করা হিংসাগুলো ফের–আমরা ইচ্ছে করেই কেটে ফেলি
আমাদের আকাশে ওড়া ইচ্ছে-ডানাদের।সম্পূর্ণ
আমি ওর রক্ত দেখে বমি করে ভাসালাম,
নাঁড়ি পাক দিয়ে বেড়িয়ে গেল সমস্ত ঘৃণা।
জানিনা আমার রক্তের স্বাদে,
ওর মন ভরালো কিনা। সম্পূর্ণ
শোন পথিক, মত বড় বিচারকের দল
আমি এবার ভিন্ন কেউ হবো
তবু শূন্য রবে হৃদয়; পথে ঘাটে ভূল মানুষের ভীর
ভীর থেকে কেউ আমার আপনজন,
সেই আপনের জামার নিচে ছুরি
সুযোগ পেলেই পিঠে দিবে ভরে।সম্পূর্ণ
একটা ভাষা নামক মুক্তার মালা আমার গলায়
প্রিয় গানে অভিমানে মায়ের মুখের বুলি
আমার কবিতা; শহিদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথ
আমার বাংলা; আমার একুশ।সম্পূর্ণ