শান্তির ইশতেহারে কবিতা
পুরনো পাপ মুখে তুলে ধরে বিষের পেয়ালা—
বেঁচে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করি ওরা প্রতিবাদ করে
আকাশ স্পর্শ কোরবার ইচ্ছে হয় পাখিরা বিদ্রোহ শুরু করে—
যেহেতু অন্যের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ অপরাধ।সম্পূর্ণ
চলমান প্রেক্ষাপটে লেখা সমসাময়িক কবিতা গুলোর জন্য এই পাতা।
পুরনো পাপ মুখে তুলে ধরে বিষের পেয়ালা—
বেঁচে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করি ওরা প্রতিবাদ করে
আকাশ স্পর্শ কোরবার ইচ্ছে হয় পাখিরা বিদ্রোহ শুরু করে—
যেহেতু অন্যের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ অপরাধ।সম্পূর্ণ
পৃথিবীর শরীর থেকে লাশের স্তুপ সরাতে যে সত্তা নিজের হৃদপিন্ডে প্রস্তত করে রক্তমশাল—সেও কোনো একদিন খুন হয়ে যায় আততায়ীর ধুরন্ধর চোখে।সম্পূর্ণ
মানুষ হবে কবে মানুষ
মানুষ হবে কবে,
লোভ লালসা দূরে ঠেলে
সঠিক পথে রবে।সম্পূর্ণ
এরা দল বোঝেনা; এরা ডাল বোঝে
এরা মন্দা খোঁজে না; এরা ধান্ধা খোঁজে
এরা যে দলে যাবে; সে দলেই শুধু খাবে
খাওয়া ছাড়া এদের কোন- -ও – – -ও- – -কাজ নেই
এদের তো এমন দুর্গতি হবেই- – – -ই- -।সম্পূর্ণ
কি আসে যায় রাজ্য কিংবা সিংহাসনে !
যে দীপশিখা প্রজ্জলিত হৃদয় নামক
ছড়িয়ে দিলে অসংখ্য তার সুবাস ভরে
না জ্বালালে মানুষ নামক বৃত্তিগুলো
কি আর দামী যতই সাজো প্রেম উপাসক !
প্রেম এমনই আধার মানুষ এরই টানে
কেউ ধনী কেউ নি:স্ব হয়ে সবটা খোয়ায়
কার কি আধার রত্ন জানে আগলে তাকে
সোনার মুকুট পরায় প্রেমের সিংহাসনে !!
একটা মাছের মত জীবন চাই, আমার চোখের জল গোপন হয়ে যাবে সহজেই । সহজেই গোপনসম্পূর্ণ
বাংলা আমার যুদ্ধ ঘাঁটি, গর্জে উঠুন অন্যায় প্রতিবাদী
বাংলা তোমার বীর সন্তান, ক্ষুদিরাম ও নেতাজী।সম্পূর্ণ
হন্তারকের ছায়ায় তুমিও এক বাজিকর—কে হে অচিন সুন্দর
ধ্রুপদী জলের অতলে কেনো খুঁজে ফেরো এক প্রাচীন সমুদ্র সম্পূর্ণ
সাধ্যাতীত ঘাসের ভেতর
একটা চুল্লু দাও আবর্জণা সেরে রাখি
বিচ্ছিন্ন মাথা দুর্বিসহ ঘিলুর ভেতর
এক্সট্রিম দগ্ধতায়
চলুক তিনশো ভোল্ট তোমার আমার!
ব্যবসায়ী মানুষ গুলো এই বেকারত্ব দুনিয়ায় –
কিছু দুষ্টু মালিকের পদ পেয়েছে।
ইনভেস্টের অতীত ঘাঁটলে তার দেখা যায়!সম্পূর্ণ