প্রতিটি দিনের শেষে
সুরুজ হারাবে পাটে
তারপর, আঁধার আসবে এক
নতুন দিনের রাঙা পূর্বাভাস বুকে নিয়ে নেমে,
এ’ খেলা নিত্য ই চলে ধরণীর বুকে
হয়েও আমার প্রাণ তবু স্রোতধারা
মোহনার বাঁকে গেছে থেমে!সম্পূর্ণ

রচেও দখিনা বায়ু খোলা বাতায়নে
শুকনো আকাশে পেয়ে ভাবি ক’টা মেঘের শাবল,
কতদিন গত হলো দেখিনি সে’ ক্ষিতি
যেখানে যক্ষ’র প্রিয়া রেখেছিলো আঁখির কাজল!সম্পূর্ণ

অদ্ভুত রহস্য গেছো চিরতরে বুনে
করেও আপ্রাণ চেষ্টা পেলাম না আজও খুঁজে তল,
হয়তো থাকলে হতো শার্লক হোমস
কিংবা কিরীটী রায়, ফেলু দাও এখানে অচল!সম্পূর্ণ

সন্ধ্যার ফুলেদের বলেছি সন্ধ্যাতেই ফুটতে,না ফুটতে গভীর রাতে–
বলেছি তাদের গভীর রাত নামার আগেই বৃন্ত হতে ঝরে যেতে।
গভীর রাতে হায়না বেরোয়,গভীর রাতে নিশাচর পাখিদের উৎপাত;
সন্ধ্যার ফুল তুমি,পারবে না সহিতে তাদের দেওয়া সব নির্মম আঘাত। সম্পূর্ণ

গড়ে ওঠা অভ্যেসটাকে
আছড়ে দুমড়ে মুড়িয়ে পাল্টে
দেওয়া হল –
নিষেধাজ্ঞার নোটিশ টাঙিয়ে
রাখা হল রুটিনের
পাশাপাশি, যাপন শেষের
পরিক্রমাগুলো রইল
আক্ষেপের বিষয়ভুক্ত হয়ে !সম্পূর্ণ

বেনী খুলে নীড়ে এস চারু
আঁচাড়ের ডাঁশা আমে ঝড়ের ভাঙণ
তুলে নাও কোচর ‘ পূবালী মেঘের
ঘনঘোর ঝঞ্ঝার ছোপ ‘ ধোঁওয়া ঠেলে
শিঙা ফুকো মেয়ে ‘ চড়চড়ে ভাতে
ছুঁয়ে দাও জন্মের আঁতর
এস ফিরে ঘরে __

হেমের চাদরে বোনো ফুলে
শাড়ি বুটি কাপড়ে কুরুশ, দু’ কলি ছত্র শেখো
গুনগুন সুরের কোলাজ ‘ দাও খুলে
কেশের বাহার ‘ খেলা রেখে শিঙা ছোঁও
পেটে এই ঘূর্ণি তরাস ! ভাত দাও
পাতে ওর ‘ ব্যামো লাগা মেয়ের
পাঁজর। ভাত দাও একরাশ
নীড়ে এসে চারু __

সম্পূর্ণ