শীতল রাতের উষ্ণতায়
কোকিল কি জানে, কোকিল কি বোঝে, যে কোকিলের গানে
রাখবো বিশ্বাস। সে গাইছে আপনার গান অবুঝ আপনমনে।
তোমার আমার পৃথিবীর বীভৎস চেহারা চিনে না সে আজও।
এসো,চাই, নিজের গানে যেভাবে মেতে আছে, আজীবন যেন
ওইভাবে মেতে থাকে ও।সম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
কোকিল কি জানে, কোকিল কি বোঝে, যে কোকিলের গানে
রাখবো বিশ্বাস। সে গাইছে আপনার গান অবুঝ আপনমনে।
তোমার আমার পৃথিবীর বীভৎস চেহারা চিনে না সে আজও।
এসো,চাই, নিজের গানে যেভাবে মেতে আছে, আজীবন যেন
ওইভাবে মেতে থাকে ও।সম্পূর্ণ
সমবেত সকলে পদধ্বনি দিবেন বলে আশা করি ! আপনাদের পদধ্বনি আজ একান্তই কাম্য উদ্বেল আবেগে,সম্পূর্ণ
ভালোবাসার কোন চিহ্নই আমি রাখবো না বু’কের রক্তিম গভীরে, অনেকগুলো সৌন্দর্যরে চিহ্ন আমি ব’য়ে দিইসম্পূর্ণ
জড়াতে চাই না এই পৃথিবীর কোন
বাড়ন্ত বন্ধনে আর
অতল কষ্টের হোক চির অবসান,
থাকো তুমি মাটি হয়ে
আমিও যে ম্লান,
অদূরে ঘুরছে ক্ষণ হবো দোঁহে সমানে সমান!সম্পূর্ণ
শুধুই একটা রাত দিয়ে গেছো তুমি
উদরে সাজায়ে বায়ু ঝড়ো,
প্রয়াত দিনের কথা নিরালায় জপে
বুঝিনি সেদিন আমি এ’ হৃদয় সঁপে
ঘোরালো প্রসার তার
দিনে দিনে এতো হবে বড়!সম্পূর্ণ
ঝরের রাতে ওদের উজার হওয়া সংসারটা
ওদের প্রতি উপেক্ষার স্থানুতা
ওটাই তুমি ,আমি ও আমরাসম্পূর্ণ
বুকের হারানো কোন চিরতরে ধন
কে খুঁজে অনেক দিন
সুখে বা কি ক্ষীণ হাহাকারে?
হয়তো আমিই শুধু ফুরিয়ে গেলাম
তোমারি তালাশে আয়ু
বাংলার লাখো দ্বারে দ্বারে!সম্পূর্ণ
হয়তো মানুষ গাছ এভাবেই মেল,
যেমন আকাশে হাসে নীরদের পাশে
আরেকটা ফের এসে হেরে গেলে শেষে
কালের আঘাতে এক হাসি-খুশি সোনালী বিকেল!সম্পূর্ণ
রহস্যময় সাবালিকা ছিলে
কালো রঙে হরতন,
যতোই দেখেছি হেরে গেছে বুকে
চিরায়ত পুরাতন!সম্পূর্ণ
কখনো কি প্রাণ হারে? বেঁচে থাকে সে তো সুহৃদের মাঝে স্মৃতি মাখা আবদারে। বসন্ত ঋতুসম্পূর্ণ