যেখানে শালিক গায় গান
সেখানেই পাই তার প্রাণ
কখনও দেয় না ধরা ধীরে চলে হেঁটে আগে আগে,
ব্যাকুলে দিলেও জোরে ডাক
না থেমে অঙ্গুলি করে তাক
হয়তো নিজেরে আঁকে নীলিমায় ক্ষীণ অনুরাগে!সম্পূর্ণ

আকাশ মিলিয়ে যাবে, না এলেও সাঁঝ
চাঁদ বা সুরুজ শুধু স্ব-স্বভাবে না উঠলে জ্বলি,
কতক হৃদয়ও যায় এভাবেই ক্ষয়ে
ঘোরালো বিষাদ তার শেষে নিলে কেড়ে চোরাগলি!সম্পূর্ণ

দেখেছি একাকী বন্ধুর পথে বন্ধুত্বের অপঘাত বিশ্বাসকে দগ্ধ করেছে!
সম্মুখে দেখেছি গহীন রাত্রিতে একাকী
আমাকে অন্ধকার গ্রাস করছে হিংস্রের মতো।
অতঃপর, প্রেমিকের বুকে প্রেম দেখেছিসম্পূর্ণ

তবু সেই মায়াবী রাতটাই চাই–যে রাতে যে কোনো সঙ্গীতে
পথহারা পেতে পারে হারানো পথ,রাতের যে কোনো কবিতাতে
আঁধারে ধার দিতে পারে কবি আলোর আকাশ তার, ক্ষুধার
ইতিহাস ক্ষুধাকে জয় করে উর্দ্ধে উঠুক যে কোনো বশ্যতারসম্পূর্ণ

হারায়ে স্বপ্নের বল রজনীর ঘোরে
আহত নক্ষত্র এক লোনা জলে খসে পড়ে যদি,
থাকে না অতল সেই সমুদ্রের বুক
নীরবে আঘাত সয়ে জেগে রয় হয়ে মরা নদী!সম্পূর্ণ

ঘুমের ঘোরে বসেই দেখি স্তব্ধ হিজল তলে,
যাচ্ছে ভেসে কপাল আমার আধলা নদীর জলে!
পড়লো পাশে আকাশ থেকে একটা তারা খসি,
কেউ দ্যাখেনি সাক্ষী শুধু কণ্ঠ হারা শশী।সম্পূর্ণ

জলের অতলে আজ ঘুরে এক চাঁদ
বুকের পাঁজরে তার খেলা করে লহরিরা হেসে,
বারে বারে ঢেকে দেয় অমানিশা মুখ
ক্ষণিক কিরণ কিছু পৌঁছে না এ’ পৃথিবীতে এসে।সম্পূর্ণ

অনেক লিখেছি আমি ও’ পথের কথা
লিখেছি অনেক গান শালিকের গাইতো যা সেম,
বুঝতে চেয়েও কিছু পারবে না কেউ
জানবে না কোনদিন
ক্যামনে পাঁজরে জাগে হেম।সম্পূর্ণ

নক্ষত্রের আলো নামে পৃথিবীর দেহে
পৃথিবীর ছায়া যদি অনুরূপ যেতো ওই দেশে,
হয়তো কারোর বুক অগোছালো পেয়ে
কার্তিকের বেনোজল ঘুরতো না ক্ষণকাল এসে!সম্পূর্ণ