তোমার-আমার জিঘাংসা
আমি ওর রক্ত দেখে বমি করে ভাসালাম,
নাঁড়ি পাক দিয়ে বেড়িয়ে গেল সমস্ত ঘৃণা।
জানিনা আমার রক্তের স্বাদে,
ওর মন ভরালো কিনা। সম্পূর্ণ
রূপক অর্থে লিখা কবিতাসমূহ
আমি ওর রক্ত দেখে বমি করে ভাসালাম,
নাঁড়ি পাক দিয়ে বেড়িয়ে গেল সমস্ত ঘৃণা।
জানিনা আমার রক্তের স্বাদে,
ওর মন ভরালো কিনা। সম্পূর্ণ
ওই যে প্রান্তে পরন্ত বিকেলগুলো
গলে যায় জাহ্নবী জলে
সেইখানে, সেই দেশে চলো আজ
নেহাৎ হারিয়ে যেতে হলে
না বলি, কেন বিদ্রোহ ডেকে আনে
সর্বহারাদের লাল পতাকা
যদি আমি সাবেক প্রেম নিবেদনের
বৃথা চেষ্টায় মেতে উঠি
খুঁজে পাবে কি আমাকে আমার মাঝে ?সম্পূর্ণ
নিদ্রিতাকে একদিন নিশ্চয়ই জানাব,
সুন্দরবনে একটা হিঃস্র বাঘের
আশু প্রয়োজন।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার যদি একটা
পোশাকের আবদার রাখে তুমি কী
করবে নিদ্রিতা?
আমি বলব- পাবে
তুমি বলে উঠবে,
সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় যেন।সম্পূর্ণ
না পেলে শীতল ছোঁয়া হারে একদিন
শুষ্কতার ঘাতে কোন ধরাতলে সবুজের সিঁড়ি,
সাগরও শুকিয়ে যাবে ক্ষয়ে লোনাজল
পাঁজরে জাগলে তার দিনে দিনে বিষাদের গিরি!সম্পূর্ণ
লোডশেডিং নাহলে বুঝতামই না এ শহরে হঠাৎ বৃষ্টি নাবলে
টাই কোর্ট পড়া কর্পোরেট শ্রুমিকেরা গলি ভুলে যায়সম্পূর্ণ
শ্রমিক,ক্ষতির ক্ষতে গোলাপ দেবো না,
কেননা যুগ যুগ গোলাপ শুধু প্রলাপই বকেছে।
শ্রমিক,গোলাপ বহু রক্ত,বহু অস্ত্র থামিয়ে দিয়ে
একটা অভুক্ত অশক্ত অর্ধেক পৃথিবী গড়েছে।। সম্পূর্ণ
আমরা না কারোর আপন,না কারোর পর—
শুধু আমরা যারা মানুষেরা তারা
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন রঙে
বিভিন্ন ঢঙে বিভিন্ন রকম স্বার্থপর।সম্পূর্ণ
কোকিল কি জানে, কোকিল কি বোঝে, যে কোকিলের গানে
রাখবো বিশ্বাস। সে গাইছে আপনার গান অবুঝ আপনমনে।
তোমার আমার পৃথিবীর বীভৎস চেহারা চিনে না সে আজও।
এসো,চাই, নিজের গানে যেভাবে মেতে আছে, আজীবন যেন
ওইভাবে মেতে থাকে ও।সম্পূর্ণ
সমবেত সকলে পদধ্বনি দিবেন বলে আশা করি ! আপনাদের পদধ্বনি আজ একান্তই কাম্য উদ্বেল আবেগে,সম্পূর্ণ
ভালোবাসার কোন চিহ্নই আমি রাখবো না বু’কের রক্তিম গভীরে, অনেকগুলো সৌন্দর্যরে চিহ্ন আমি ব’য়ে দিইসম্পূর্ণ
জড়াতে চাই না এই পৃথিবীর কোন
বাড়ন্ত বন্ধনে আর
অতল কষ্টের হোক চির অবসান,
থাকো তুমি মাটি হয়ে
আমিও যে ম্লান,
অদূরে ঘুরছে ক্ষণ হবো দোঁহে সমানে সমান!সম্পূর্ণ