গড়ে ওঠা অভ্যেসটাকে
আছড়ে দুমড়ে মুড়িয়ে পাল্টে
দেওয়া হল –
নিষেধাজ্ঞার নোটিশ টাঙিয়ে
রাখা হল রুটিনের
পাশাপাশি, যাপন শেষের
পরিক্রমাগুলো রইল
আক্ষেপের বিষয়ভুক্ত হয়ে !সম্পূর্ণ

বেনী খুলে নীড়ে এস চারু
আঁচাড়ের ডাঁশা আমে ঝড়ের ভাঙণ
তুলে নাও কোচর ‘ পূবালী মেঘের
ঘনঘোর ঝঞ্ঝার ছোপ ‘ ধোঁওয়া ঠেলে
শিঙা ফুকো মেয়ে ‘ চড়চড়ে ভাতে
ছুঁয়ে দাও জন্মের আঁতর
এস ফিরে ঘরে __

হেমের চাদরে বোনো ফুলে
শাড়ি বুটি কাপড়ে কুরুশ, দু’ কলি ছত্র শেখো
গুনগুন সুরের কোলাজ ‘ দাও খুলে
কেশের বাহার ‘ খেলা রেখে শিঙা ছোঁও
পেটে এই ঘূর্ণি তরাস ! ভাত দাও
পাতে ওর ‘ ব্যামো লাগা মেয়ের
পাঁজর। ভাত দাও একরাশ
নীড়ে এসে চারু __

সম্পূর্ণ

নিদ্রিতাকে একদিন নিশ্চয়ই জানাব,
সুন্দরবনে একটা হিঃস্র বাঘের
আশু প্রয়োজন।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার যদি একটা
পোশাকের আবদার রাখে তুমি কী
করবে নিদ্রিতা?
আমি বলব- পাবে
তুমি বলে উঠবে,
সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় যেন।সম্পূর্ণ

একলক্ষ গলা তারস্বরে বলে উঠল
আমরা কি তবে উটকো,উদ্বৃত্ত ?
ক্ষমতার কুৎসিত প্রতিমূর্তি
জবাব দিলো তার লম্বা গলাটা বাড়িয়ে
তোমরা সব চোর,ডাকাত।সম্পূর্ণ

না পেলে শীতল ছোঁয়া হারে একদিন
শুষ্কতার ঘাতে কোন ধরাতলে সবুজের সিঁড়ি,
সাগরও শুকিয়ে যাবে ক্ষয়ে লোনাজল
পাঁজরে জাগলে তার দিনে দিনে বিষাদের গিরি!সম্পূর্ণ

শ্রমিক,ক্ষতির ক্ষতে গোলাপ দেবো না,
কেননা যুগ যুগ গোলাপ শুধু প্রলাপই বকেছে।
শ্রমিক,গোলাপ বহু রক্ত,বহু অস্ত্র থামিয়ে দিয়ে
একটা অভুক্ত অশক্ত অর্ধেক পৃথিবী গড়েছে।। সম্পূর্ণ

আমরা না কারোর আপন,না কারোর পর—
শুধু আমরা যারা মানুষেরা তারা
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন রঙে
বিভিন্ন ঢঙে বিভিন্ন রকম স্বার্থপর।সম্পূর্ণ