এই সোনালী রোদ্দুর
গড়ে ওঠা অভ্যেসটাকে
আছড়ে দুমড়ে মুড়িয়ে পাল্টে
দেওয়া হল –
নিষেধাজ্ঞার নোটিশ টাঙিয়ে
রাখা হল রুটিনের
পাশাপাশি, যাপন শেষের
পরিক্রমাগুলো রইল
আক্ষেপের বিষয়ভুক্ত হয়ে !সম্পূর্ণ
নীড়ে এস চারু
বেনী খুলে নীড়ে এস চারু
আঁচাড়ের ডাঁশা আমে ঝড়ের ভাঙণ
তুলে নাও কোচর ‘ পূবালী মেঘের
ঘনঘোর ঝঞ্ঝার ছোপ ‘ ধোঁওয়া ঠেলে
শিঙা ফুকো মেয়ে ‘ চড়চড়ে ভাতে
ছুঁয়ে দাও জন্মের আঁতর
এস ফিরে ঘরে __
হেমের চাদরে বোনো ফুলে
শাড়ি বুটি কাপড়ে কুরুশ, দু’ কলি ছত্র শেখো
গুনগুন সুরের কোলাজ ‘ দাও খুলে
কেশের বাহার ‘ খেলা রেখে শিঙা ছোঁও
পেটে এই ঘূর্ণি তরাস ! ভাত দাও
পাতে ওর ‘ ব্যামো লাগা মেয়ের
পাঁজর। ভাত দাও একরাশ
নীড়ে এসে চারু __
জ্যোৎস্না খুলেছে বিনুনি
নিশীথ নীরব জানি, ঝাঁকরা মেঘেরা ডাকে শুধু, দূরে ঐ,কান পেতে শোনো জ্যোৎস্না খুলেছে বিনুনি, এসম্পূর্ণ
তোমার-আমার জিঘাংসা
আমি ওর রক্ত দেখে বমি করে ভাসালাম,
নাঁড়ি পাক দিয়ে বেড়িয়ে গেল সমস্ত ঘৃণা।
জানিনা আমার রক্তের স্বাদে,
ওর মন ভরালো কিনা। সম্পূর্ণ
দিগন্তদেশ
ওই যে প্রান্তে পরন্ত বিকেলগুলো
গলে যায় জাহ্নবী জলে
সেইখানে, সেই দেশে চলো আজ
নেহাৎ হারিয়ে যেতে হলে
যদি বেছে নিতে বলি
না বলি, কেন বিদ্রোহ ডেকে আনে
সর্বহারাদের লাল পতাকা
যদি আমি সাবেক প্রেম নিবেদনের
বৃথা চেষ্টায় মেতে উঠি
খুঁজে পাবে কি আমাকে আমার মাঝে ?সম্পূর্ণ
অহেতুক জটিলতা
নিদ্রিতাকে একদিন নিশ্চয়ই জানাব,
সুন্দরবনে একটা হিঃস্র বাঘের
আশু প্রয়োজন।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার যদি একটা
পোশাকের আবদার রাখে তুমি কী
করবে নিদ্রিতা?
আমি বলব- পাবে
তুমি বলে উঠবে,
সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় যেন।সম্পূর্ণ
অবশেষে একদিন (অণু)
না পেলে শীতল ছোঁয়া হারে একদিন
শুষ্কতার ঘাতে কোন ধরাতলে সবুজের সিঁড়ি,
সাগরও শুকিয়ে যাবে ক্ষয়ে লোনাজল
পাঁজরে জাগলে তার দিনে দিনে বিষাদের গিরি!সম্পূর্ণ
শহরে যখন বৃষ্টি নাবলো
লোডশেডিং নাহলে বুঝতামই না এ শহরে হঠাৎ বৃষ্টি নাবলে
টাই কোর্ট পড়া কর্পোরেট শ্রুমিকেরা গলি ভুলে যায়সম্পূর্ণ
ক্ষতির ক্ষতে দেবো না গোলাপ
শ্রমিক,ক্ষতির ক্ষতে গোলাপ দেবো না,
কেননা যুগ যুগ গোলাপ শুধু প্রলাপই বকেছে।
শ্রমিক,গোলাপ বহু রক্ত,বহু অস্ত্র থামিয়ে দিয়ে
একটা অভুক্ত অশক্ত অর্ধেক পৃথিবী গড়েছে।। সম্পূর্ণ
অমলবাবুর মুখোশ
আমরা না কারোর আপন,না কারোর পর—
শুধু আমরা যারা মানুষেরা তারা
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন রঙে
বিভিন্ন ঢঙে বিভিন্ন রকম স্বার্থপর।সম্পূর্ণ