নিরুদ্দেশ যাত্রা
আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে হে সুন্দরী? বলো কোন্ পার ভিড়িবে তোমার সোনার তরী।সম্পূর্ণ
শরীরে সমর্পিত হোক প্রেম
সমস্ত নির্জনতা ভেদ করে আজ তবে নেমে আসুক-
সদ্য ভূমিষ্ট শিশুর মতো নিষ্পাপ, কোমল বৃষ্টিধারা
মুছে যাক বেদনার্ত মুখ, আস্তিনের নিচে জমে থাকা দুঃখগুলো!সম্পূর্ণ
অতিপ্রিয় অনধিকার
বেশি কাছে এসো না প্রিয়া,
পুড়ে যাওয়া হৃদয়ভূমিতে শ্রাবন-বর্ষন আর এনো না!সম্পূর্ণ
তোমাকে ভাবতে পারি বলে! (অণু)
তোমাকে ভাবতে পারি হয়তো বা বলে
এ’ হৃদয় করে ক্ষয়,
আনত সুরুজ দেখি গোধূলির বাটে
প্রভাতে রাঙা উদয়!সম্পূর্ণ
তোমাকে পুষছি
তোমারে ভালবাসি নাই।
ভালোবাসা এখন মামুলি ঘটনা,
এই জগত সংসারে।
দীর্ঘ সময় নিয়ে মনোযোগ সহকারে,
আমি তোমারে পুষছি আমার ভেতরে।সম্পূর্ণ
স্পর্ধাহীন শরীর
বিকেল গড়িয়ে সূর্যটা নিভে গেলেও
দিয়াশলাই এর মতো জ্বলে ওঠে নারীর তাপ
কিংবা অজস্র চুম্বনের দাগ!
কবির বুকেও তেমনি জেগে ওঠে মৃন্ময়ীর
স্পর্ধাহীন শরীর, যোনীফুল, তুমুল বৃষ্টি!সম্পূর্ণ
ডাকচিঠি-৩২
হে ঈশ্বর নশ্বর মায়াজাল বুনে স্বপ্ন পূরণ করতে ভালোবাসার ঠিকানা হলদে জীবনসঙ্গী নির্বাচনে আহত হয়েছে প্রাণের টানে
অজস্র জন্ম ধরে রাখতে পারিনি তাঁকে ক্ষমা করে দিও সন্ধ্যা বেলায় পথের মোড়ে সামনাসামনি দেখা হওয়ার বেদনার সম্মুখে মতো।।
আমাকে যদি কেউ প্রশ্ন করে
‘আর্ট অব বিউটি’ দেখেছো কোথাও?
আমি বলব দেখেছি তার মুখয়াবে
‘এসথেটিস অব ডার্কনেস’ দেখেছো কি?
আমি দেখেছি তার রেশমি চুলে।সম্পূর্ণ
মন খারাপের দিনে
মন খারাপের দিনে
কখনো একলা মনে হলে
পড়ে নিও তোমাকে নিয়ে লেখা কবিতাগুলো।সম্পূর্ণ
তবুও বইতে হয়! (অণু)
একবার গেলে চিল নক্ষত্রের দেশে
কখনো ধরার বুকে জানি আর পড়বে না ছায়া,
তবুও বইবে এক হিজলের ডাল
বসতো বলেই তার আজীবন দু’চোখের মায়া!সম্পূর্ণ