কতদিন হলো দেখিনি (অণু)
রচেও দখিনা বায়ু খোলা বাতায়নে
শুকনো আকাশে পেয়ে ভাবি ক’টা মেঘের শাবল,
কতদিন গত হলো দেখিনি সে’ ক্ষিতি
যেখানে যক্ষ’র প্রিয়া রেখেছিলো আঁখির কাজল!সম্পূর্ণ
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
রচেও দখিনা বায়ু খোলা বাতায়নে
শুকনো আকাশে পেয়ে ভাবি ক’টা মেঘের শাবল,
কতদিন গত হলো দেখিনি সে’ ক্ষিতি
যেখানে যক্ষ’র প্রিয়া রেখেছিলো আঁখির কাজল!সম্পূর্ণ
যেদিন চলে যাবে
——— প্রতাপ মণ্ডল
— এতো বেহায়া কেনো তুমি?
তাড়িয়ে দিচ্ছি, তবু কেনো যাচ্ছো না চলে….?
এখনও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি দেখছো অমন করে?
শ্রাবণ এখনও আসেনি, তবু দেখো বাদল কেমন ঝরছে অঝোরে!
” —যদি আমি চলে গেলে তুমি সুখী হও–
তাহলে বেশ, এই আমি পা বাড়িয়ে দিলাম অজানায়
আর কোনোদিনও ডাকলে পাবে না কিন্তু আমায়..!”
—তোমাকে তো চেয়েও পাইনি আমি,
শুধু রেখে যাচ্ছো তুমি কিছু স্মৃতির ভার…..
কিছু স্মৃতি নয়, রেখে যাচ্ছো স্মৃতির পাহাড়।
“তাহলে আমায় যেতে দিচ্ছো কেনো?
তুমি বললেই আমি তোমার হয়ে থাকবো চিরকাল
স্মৃতি নিয়ে কি জীবন কাটানো যায় বলো…!
তাহলে আমায় নিয়ে কেনো মিথ্যে বুনলে কল্পনাজাল?”
— জানিতো তুমি আমার কোনোদিন হবে না…!
তাইতো তোমায় এতো ভালোবেসে গেছি, আজও বাসি
চিরকাল আমি শুধু তোমায়, হ্যাঁ…তোমায় শুধু ভালোবাসবো
তোমার আমার কতো আদর-খুনসুটি-
কতো রঙিন সময়ের কথা ভেবে আমি কাঁদবো… হাসবো।
“তোমার বুঝি স্মৃতি নিয়ে থাকতে ভালো লাগে?
কিন্তু আমি যে চেয়েছিলাম, তোমাকে নিয়ে ঘর বাঁধতে।
সুখে না হোক, দুঃখেই কাটিয়ে দিতাম দু’জনে
সত্যি বলছি, এর বেশী আর কিচ্ছু চাইনি কোনোদিন পেতে।
তোমাকে একটু ছুঁয়ে থাকা, নাহয় কখনো থাকতো দু’জনের রাত জাগা
কিছু খুনসুটি আদর, কখনো তোমার একরাশ অভিমান….
কেনো আমায় যেতে বলছো আজ? কেনো আজ মনে বিরহের গান?”
— তবে শোনো, আমার আয়ু আর কিছুদিনের।
আমি চলে যাবো অনেকদূর, মিশে যাবো ওই তারায়
পিছুটান বলতে তুমিই ছিলে, জানি আজ বড় আঘাত পেলে!
কিন্তু নিয়তি যে বড় নিষ্ঠুর….!
তা না হলে তোমায় ছেড়ে আমাকে কেনো চলে যেতে হবে অনেকদূর?
দাঁড়িয়ে থেকো না তুমি আর, চলে যাও আমার চোখের সামনে থেকে
মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে ফেলো, তুমি শুধু থাকো খুব খুউব সুখে।
“কিন্তু, আমি যে আর যেতে পারবোনা তোমায় ছেড়ে
নিয়তি যদি তোমায় নেয়…. নিক না কেড়ে,
আমি পাথরের মতো তোমার শিয়রে থাকবো বসে
কে আর সুখ পায়, বলতো ভালোবেসে……?
কাছে এসো, আমার বুকে রাখো মাথা।
যেদিন চলে যাবে, সেদিনও ঠিক এমনি করেই আমার বুকে মাথা রেখো
তুমি তাড়িয়ে দিলেও, আমি কোনোদিন তোমায় ছেড়ে যাবো না দেখো। ”
***অপ্রকাশিত একটি চিঠি*** আজিজুল হক #বাংলকোবিতা #কবিতা #শিমুল #বাংলাদেশ #বন্ধু #বিদ্রোহীকবি #ভাবনা #মোশারফ #তসলিমা #নাসরিনসম্পূর্ণ
এ কেমন তাহার ভালবাসা আমাকে নিঃশেষ করে দিয়ে প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ করে নিরবে সংসার করছে। ভাবিনিসম্পূর্ণ
এখনও তোমাকে দেখি টলটলে খালে লহরির সাজে চুল মৃদু বায়ে দুলে করে খেলা, লাজুক বদনেসম্পূর্ণ
আমি লেক লুইস আলবাট্রা দেখিনি দেখিনাই তার স্বচ্ছ পানি ও পাড়ের পাথরের সৌন্দর্যগুলো আমি দেখিনিসম্পূর্ণ
নিজেকে ভালোবাসা দিলে
হারিয়ে যাওয়া মেঘের দুয়ারে ,তাঁকে ভয় পাওয়া নয়।
হাতের সভ্যতা বিবর্তন রেখা
বিষ দাঁত দমিয়ে রাখে
যাকে দগ্ধতা বলে , তা কিছু নয়
ভালোবাসা যাকে মৃত্যু দিতে পারে না
আগুন যাকে পোড়াতে পারে না
তেমন মানুষ কেউ থাকে না !
সম্পূর্ণ
গড়ে ওঠা অভ্যেসটাকে
আছড়ে দুমড়ে মুড়িয়ে পাল্টে
দেওয়া হল –
নিষেধাজ্ঞার নোটিশ টাঙিয়ে
রাখা হল রুটিনের
পাশাপাশি, যাপন শেষের
পরিক্রমাগুলো রইল
আক্ষেপের বিষয়ভুক্ত হয়ে !সম্পূর্ণ
নিশীথ নীরব জানি, ঝাঁকরা মেঘেরা ডাকে শুধু, দূরে ঐ,কান পেতে শোনো জ্যোৎস্না খুলেছে বিনুনি, এসম্পূর্ণ
শুধু তোমাকে ভালোবাসবে বলে
বুকের ভেতর অন্ধকার জমিয়ে রেখেছি সহস্র বছর
ক্যাথলিক আর অর্থোডক্স,মন্দির কিংবা গির্জা সবই পেয়েছি তোমার ভেতর।
তোমার ইশারায় শশ্মানের উপর সমাধি হই,
ক্রাকডাউনের রাতে শব্দহীন নাগরিক হয়ে হেঁটে যাই তেমার গন্তব্যে।সম্পূর্ণ
ওই যে প্রান্তে পরন্ত বিকেলগুলো
গলে যায় জাহ্নবী জলে
সেইখানে, সেই দেশে চলো আজ
নেহাৎ হারিয়ে যেতে হলে
গায়ে বিঁধছে রোদের ফলা, দেখতে পেলাম ঝাউয়ের তলায় তুমি তখন চলেই যাচ্ছ নৌকা গেছে ছেড়েসম্পূর্ণ