শুধু একটি কথা
একটি কথা-ই শুধু চেয়েছিনু পেতে গোধূলির মতো যার বুকে রবে সুকোমল ধারা, অতল বন্যার জলেসম্পূর্ণ
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
একটি কথা-ই শুধু চেয়েছিনু পেতে গোধূলির মতো যার বুকে রবে সুকোমল ধারা, অতল বন্যার জলেসম্পূর্ণ
ঠিক পৌঁছে যাব আমি, দেখে নিও তুমি সেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যা তুমি আমাকে বেঁধেসম্পূর্ণ
বদলে যাওয়া এই শহরে তোমায় খুঁজি আমি রোজ— হয়তো জানি তোমায় পেতে করতে হবে আরও—খোঁজ।সম্পূর্ণ
অনেক লিখেছি আমি ও’ পথের কথা
লিখেছি অনেক গান শালিকের গাইতো যা সেম,
বুঝতে চেয়েও কিছু পারবে না কেউ
জানবে না কোনদিন
ক্যামনে পাঁজরে জাগে হেম।সম্পূর্ণ
সরষে ক্ষেতের পাশে ছাগলের ছল চোখেই পড়ে না আর, ক্ষণকাল দেখেছো কি তুমি? বাহারি শীতেরসম্পূর্ণ
সুর্যের দিকে তাকিওনা হয়তো চোখ ঝলসে যাবে সমূদ্রের গভীরে যেওনা হয়তো ঢেউয়ে তলিয়ে যাবে পর্বতসম্পূর্ণ
আল্লার হাবীব দয়ার নবী সকল সৃষ্টির মূল, আদম সৃষ্টির বিকাশ সাধন সুবাস ভরা ফুল। আল্লারসম্পূর্ণ
রাসুলের ওই ফুলের সুবাস মদিনার কূল-বাগে, সেই সুবাসে জুড়ায় মনপ্রাণ কে নেবে সে আগে। যেথায়সম্পূর্ণ
আমি জানি না,
কেন শাড়ি পড়লেই
তুমি কিশোরী থেকে রমনী হয়ে যাও!
তোমার সমস্ত উচ্ছলতা যেনো,
মুখ লুকায় লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া মুখে।সম্পূর্ণ
এভাবে জ্বলতে জ্বলতে
যে আগুণ নিভে গেল, কিভাবে পাবে
চতুর্ভূজ রুটি
ভাতের দালানেও
উতখাৎ,সে এখন
গুদামজাত
মুদ্রাস্ফীতির অস্ত্রাগারে
একরাশ টলটলে
লোভ | কোন্ অংশ
নেবে কবি ? চর্ব্যের
দলে নেওয়া শেষ
চোষ্যে বেপরোয়া
লেহ্যে উন্মাদনা
অবশিষ্ট পেয় আর আগুণ পেল কই –
নক্ষত্রের আলো নামে পৃথিবীর দেহে
পৃথিবীর ছায়া যদি অনুরূপ যেতো ওই দেশে,
হয়তো কারোর বুক অগোছালো পেয়ে
কার্তিকের বেনোজল ঘুরতো না ক্ষণকাল এসে!সম্পূর্ণ