অনেক লিখেছি আমি ও’ পথের কথা
লিখেছি অনেক গান শালিকের গাইতো যা সেম,
বুঝতে চেয়েও কিছু পারবে না কেউ
জানবে না কোনদিন
ক্যামনে পাঁজরে জাগে হেম।সম্পূর্ণ

এভাবে জ্বলতে জ্বলতে
যে আগুণ নিভে গেল, কিভাবে পাবে
চতুর্ভূজ রুটি
ভাতের দালানেও
উতখাৎ,সে এখন
গুদামজাত
মুদ্রাস্ফীতির অস্ত্রাগারে
একরাশ টলটলে
লোভ | কোন্ অংশ
নেবে কবি ? চর্ব্যের
দলে নেওয়া শেষ
চোষ্যে বেপরোয়া
লেহ্যে উন্মাদনা
অবশিষ্ট পেয় আর আগুণ পেল কই –

সম্পূর্ণ

নক্ষত্রের আলো নামে পৃথিবীর দেহে
পৃথিবীর ছায়া যদি অনুরূপ যেতো ওই দেশে,
হয়তো কারোর বুক অগোছালো পেয়ে
কার্তিকের বেনোজল ঘুরতো না ক্ষণকাল এসে!সম্পূর্ণ