তোমার যৌবনরেখা বরাবর
প্রাচীন গোধূলীর মতো তোমার যৌবনরেখা বরাবর ছেচল্লিশের বুক কাঁপে, বিস্ফোরিত হয় হৃদযন্ত্র।সম্পূর্ণ
প্রেম ভালোবাসা আবেগ এবং অনুভূতির কবিতা।
প্রাচীন গোধূলীর মতো তোমার যৌবনরেখা বরাবর ছেচল্লিশের বুক কাঁপে, বিস্ফোরিত হয় হৃদযন্ত্র।সম্পূর্ণ
দ্রোপদীর অন্তহীন শাড়ির মতো, তুমিও….
যদি খসে পড়ে হৃদয়ের অর্গল
নিঃশব্দে নক্ষত্র পতনের ঘন্টা বাজবে।
সম্পূর্ণ
তোমার স্পর্ধাহীন কামিনী বক্ষ বিভাজিকায়
যদিও সমস্ত দৃশ্য চুপচাপ হেঁটে যায়….
অথচ আমার স্নায়ু জগতের পুরোটাই দখল নিয়েছ!সম্পূর্ণ
স্বপ্নের সাদৃশ্য এক রাত্রির হৃদপিণ্ড ভেদ করে রক্তের উদ্দাম নাচা-নাচি, এরইমধ্যে মুছে গেছে ভোরের চিহ্ন!সম্পূর্ণ
সেদিন আকাশটাও ছিলো কোমলমতি শিশুর মতো ফুটফুটে সুন্দর
কিছুসময় আমাদের রক্ত উম্মাদ হয়েছিলো কুমারী পবিত্রতার চিহ্ন মুছে দিতে
লীলাক্ষেত্রে বাধ সাধলো ভালবাসার শুদ্ধস্বর, পারস্পরিক দায়বদ্ধতা!সম্পূর্ণ
অনুক্ত বোধের মধ্যে ডুব দিয়ে দেখলাম
শালিকের রথিক্রিয়া, বুঝলাম ভালবাসাটায় সত্য।সম্পূর্ণ
যক্ষপুরীদের উল্লাস যেমনটি থেমে নেই
তেমনি মহাশূণ্যের ছায়াবিন্যাসে
মৃত্তিকার মুখ
আমাকে যৌবনের ঘুঙুর পড়িয়ে দেয়।
উদগ্রীব তৃষ্ণার জলে-
নুয়ে পড়ে সমস্ত মহাজাগতিক দৃশ্যপট।সম্পূর্ণ
এই দুনিয়ার মায়ায় পড়ে কারে দিলে ফাঁকি, যার ইশারায় চলন -বলন তারে রাখলে বাকী! ডাকসম্পূর্ণ
*ঈশ্বরীর গল্প – অথবা একটি রূপকথার মৃত্যু* ©আজিজুল হক তোমাদের আমি ঘেন্না করি, তোমরা মিথ্যেসম্পূর্ণ
ঈশ্বর কোথায় থাকেন? মন্দিরেও না, মসজিদেও না, গির্জায়ও না, মঠেও না। তবে থাকেন কোথায়? আকাশে?সম্পূর্ণ
একদিন আমি তোমায় ডাকতে ডাকতে পাগল হয়ে যাব সেদিন তুমি আমার ডাক শুনতে পাবে, তারসম্পূর্ণ
যেদিন আমার যাবার সময় হবে, সেদিন পারবে কি আমায় আটকাতে প্রিয়? স্বয়ং যমরাজের হাত থেকেসম্পূর্ণ