জ্যোৎস্না খুলেছে বিনুনি
নিশীথ নীরব জানি, ঝাঁকরা মেঘেরা ডাকে শুধু, দূরে ঐ,কান পেতে শোনো জ্যোৎস্না খুলেছে বিনুনি, এসম্পূর্ণ
নিশীথ নীরব জানি, ঝাঁকরা মেঘেরা ডাকে শুধু, দূরে ঐ,কান পেতে শোনো জ্যোৎস্না খুলেছে বিনুনি, এসম্পূর্ণ
ওই যে প্রান্তে পরন্ত বিকেলগুলো
গলে যায় জাহ্নবী জলে
সেইখানে, সেই দেশে চলো আজ
নেহাৎ হারিয়ে যেতে হলে
লোডশেডিং নাহলে বুঝতামই না এ শহরে হঠাৎ বৃষ্টি নাবলে
টাই কোর্ট পড়া কর্পোরেট শ্রুমিকেরা গলি ভুলে যায়সম্পূর্ণ
যেথায় থাকি দুঃখ বা হোক সুখে তোর কথা মা খুবই পড়ে মনে, গুমরে কাঁদে ব্যথারসম্পূর্ণ
আত্মবিসর্জন হঠাৎ কোনো সন্ধ্যায় একটি মৃত্যুর গন্ধে শান্ত হবে পৃথিবী আমি গোধূলির বুকে শুয়ে রবোসম্পূর্ণ
নির্জন যায়গা দেখে আমি একদিন আনারস ক্ষেতে ঢুকে
চুপ করে একটা আনারস হয়ে গেলাম
অনেকগুলো চোখ দিয়ে এক সাথে অনেক কিছু দেখবো বলে।
সম্পূর্ণ
এই নদী কথা বলে চাঁদনী নিশীথে ধারালো ধারায় টেনে খানিকটা লাজ মুখে হাসি, ইশারায় মনেসম্পূর্ণ
বিকেল হলেই নিরজনে বসে দু’চোখের নীরে ভাসি, দিবি না রে সখা একবার এনে শাপলা ফুলেরসম্পূর্ণ
একটি কথা-ই শুধু চেয়েছিনু পেতে গোধূলির মতো যার বুকে রবে সুকোমল ধারা, অতল বন্যার জলেসম্পূর্ণ
জলের অতলে আজ ঘুরে এক চাঁদ
বুকের পাঁজরে তার খেলা করে লহরিরা হেসে,
বারে বারে ঢেকে দেয় অমানিশা মুখ
ক্ষণিক কিরণ কিছু পৌঁছে না এ’ পৃথিবীতে এসে।সম্পূর্ণ
সরষে ক্ষেতের পাশে ছাগলের ছল চোখেই পড়ে না আর, ক্ষণকাল দেখেছো কি তুমি? বাহারি শীতেরসম্পূর্ণ