এই নদীর প্রেমে
এই নদী কথা বলে চাঁদনী নিশীথে ধারালো ধারায় টেনে খানিকটা লাজ মুখে হাসি, ইশারায় মনেসম্পূর্ণ
এই নদী কথা বলে চাঁদনী নিশীথে ধারালো ধারায় টেনে খানিকটা লাজ মুখে হাসি, ইশারায় মনেসম্পূর্ণ
বিকেল হলেই নিরজনে বসে দু’চোখের নীরে ভাসি, দিবি না রে সখা একবার এনে শাপলা ফুলেরসম্পূর্ণ
একটি কথা-ই শুধু চেয়েছিনু পেতে গোধূলির মতো যার বুকে রবে সুকোমল ধারা, অতল বন্যার জলেসম্পূর্ণ
জলের অতলে আজ ঘুরে এক চাঁদ
বুকের পাঁজরে তার খেলা করে লহরিরা হেসে,
বারে বারে ঢেকে দেয় অমানিশা মুখ
ক্ষণিক কিরণ কিছু পৌঁছে না এ’ পৃথিবীতে এসে।সম্পূর্ণ
সরষে ক্ষেতের পাশে ছাগলের ছল চোখেই পড়ে না আর, ক্ষণকাল দেখেছো কি তুমি? বাহারি শীতেরসম্পূর্ণ
একদিন শেষ হবে জীবনের খেলা, হয়তো ভাববে বসে গোধূলির বেলা। উড়ে যাবে মাছরাঙা ঠোঁটে নিয়েসম্পূর্ণ
আমি জানি না,
কেন শাড়ি পড়লেই
তুমি কিশোরী থেকে রমনী হয়ে যাও!
তোমার সমস্ত উচ্ছলতা যেনো,
মুখ লুকায় লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া মুখে।সম্পূর্ণ
হেমন্ত কি ক্ষয়ে গেছে জানো মধুরিমা? ঢেঁকির শব্দই আজ আসে না যে তৃষ্ণার্ত দু’কানে! চাঁদনীসম্পূর্ণ
নদীর কিনারে গিয়া দেখি নাও নিয়া গ্যাছে কেউ অথচ এই তো বান্ধা আছিল সে বিকালসম্পূর্ণ
তোমার দ্যাশের দিকে ইস্টিশানে গেলেই তো গাড়ি সকাল বিকাল আসে, এক দন্ড খাড়ায়া চম্পট, কতসম্পূর্ণ
সে কোন বাটিতে কও দিয়াছিলা এমন চুমুক নীল হয়া গ্যাছে ঠোঁট, হাত পাও শরীল অবশ,সম্পূর্ণ
কি আছে তোমার দ্যাশে? নদী আছে? আছে নাকি ঘর? ঘরের ভিতরে আছে পরানের নিকটে যেসম্পূর্ণ
হাতে তুলে দাও আকাশের চাঁদ– এই হল তার বুলি। দিবস রজনী যেতেছে বহিয়া, কাঁদে সেসম্পূর্ণ