গুড় নদীর ধারা
এই যে ছোট গুড় নদীটি চলছে বেয়ে ছন্দে বেঁকে, হাসছে দু’পাড় গাছ-গাছালি স্বচ্ছ জলে বদনসম্পূর্ণ
এই যে ছোট গুড় নদীটি চলছে বেয়ে ছন্দে বেঁকে, হাসছে দু’পাড় গাছ-গাছালি স্বচ্ছ জলে বদনসম্পূর্ণ
হে আমার তাপিত জীবন
অমরত্ব নিতে গিয়ে
আমি শেষে পথভ্রষ্ট, কোন্ গলি যাব
শেষ চুমুক দিয়ে অনন্ত শয্যা
নিল যে যুবক, একবার দেখি
মোহগ্রস্ত কতটুক
স্বপ্নমুখ ছুঁইয়ে সে কি আর
অমনি তাকায় – !
সে কি মায়ামৃগ তৃষাভ্রম
কোন উন্মাদনার কথা লিখি –
সময় চলেছে ধেয়ে স্রোতের মতোন অনন্তের বুকে যেয়ে মিশে যেতে, শাশ্বত এ’ খেলা, সবাই তোসম্পূর্ণ
এখানে চন্দ্রিমা আঁকে নিশুতির বাট
বিহগীর দেখে অভিমান,
পাতার আড়ালে করে কদম্বের ফুল
বাড়াতে রূপের জ্যোতি ক্ষণে ক্ষণে রূপালী সিনান।সম্পূর্ণ
বসলে নদীর বাঁকে মিঠা কথা স্মরি, আশারা সাজতে চায় পাল তোলা তরী। ছোট ছোট ঢেউগুলিসম্পূর্ণ
জমলে শালিক এসে মায়াবিনী বাটে, মাতবে ছোটুর দল টলটলে ঘাটে। ফড়িঙের ভীরু মতি সাজবে হাঁসেরসম্পূর্ণ
তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে যাবো বহু—দূর, মন হারাবে রাখালিয়ার ওইনা বাঁশির—সুর। নদীর স্রোতে পাল উড়িয়ে ছুটবেসম্পূর্ণ
সবুজ পাতায় ভরা গাছে আজ ধরেছে ফল,, প্রকৃতির অপরূপ রূপ কত? কত তার ছল। মনেরসম্পূর্ণ
নিশীথ নীরব জানি, ঝাঁকরা মেঘেরা ডাকে শুধু, দূরে ঐ,কান পেতে শোনো জ্যোৎস্না খুলেছে বিনুনি, এসম্পূর্ণ
ওই যে প্রান্তে পরন্ত বিকেলগুলো
গলে যায় জাহ্নবী জলে
সেইখানে, সেই দেশে চলো আজ
নেহাৎ হারিয়ে যেতে হলে