অকারণের অভিমানে
কাঁচ গায়ে আজ বৃষ্টি নিরন্তর ।
ভাবি তুমি শীতের শেষে
পাতা ঝরা মোর বৃষ্টি ভেজা ঘর।।

হালকা দোলায় দোলে
তবু সে দোলনচাঁপাই চায় ;
আবার নিশী কোকিল ভালোবাসে
কাকের বাহানায়।সম্পূর্ণ

অজস্র জন্ম ধরে আমি এভাবেই হাঁটছি কিন্তু পৌঁছতে পাচ্ছি না তোমার সীমানার নিকটে
মৃত্যুর প্রত্যাশা নেই এই জীবনের অমরত্ব লাভের
সমস্ত কিছুই মায়া ছাড়া কিছুই নয়
চোখের বাহিরে গেলে ডাকবাক্সে জমা পড়ে হাজারো চিঠি কিন্তু সেগুলো দেখার মতো কেউ আর থাকে না
সবাই চিরঘুমে ঘুমিয়ে থাকে
যাদের উঠাবার সামর্থ্য আমার কাছে থাকে না।সম্পূর্ণ

ব’য়ে যাওয়া ঠোঁটের ছোঁয়ায়; ঘন সন্ধ্যা নামে আমার বু’কে;
নষ্টদের সকল প্ররোচনা ধু’য়ে যাক অপার্থিব সৌন্দর্যে-সবুজে
কারুকার্যময় সকল কিছু আজ আমার হোক পার্থিব মুহূর্তে;
দিগন্তের শেষ সীমানায় পৌঁছে যাব কেঁপে উঠা রাত্রিকালে
সকল স্পর্শ আজ ছুঁয়ে যাব পরস্পরের কোমল রিক্ত ঠোঁটে;
সম্পূর্ণ

পবিত্র থাকুক আমার ভালোবাসা
আমি চাই সকল ফুল জীবিত থাকুক-
তার মাতৃ গর্ভে ,
সেই সাথে জীবিত থাকুক আমার ভালোবাসা ।
ফুল দিয়ে ভালোবাসা নিবেদন করার মতো
মানুষ আমি না !
তাই ফুলের বাগানে বিচরণের দাঁড়ায়
ফুলের থেকেও পবিত্র তোমার আত্মাকে ভালোবাসতে চাই।সম্পূর্ণ

ভালোবাসি বলেইত পিছুটান নেই
বা রাখিনি মুগ্ধতার বলয়-
কাছে টেনে দূরত্বের সমান্তরাল পথে
দুটি মন খেলা করে কালকেউটের বেশে ।।
সম্পূর্ণ