পরানের গহীন ভিতর-৫
তোমার দ্যাশের দিকে ইস্টিশানে গেলেই তো গাড়ি সকাল বিকাল আসে, এক দন্ড খাড়ায়া চম্পট, কতসম্পূর্ণ
তোমার দ্যাশের দিকে ইস্টিশানে গেলেই তো গাড়ি সকাল বিকাল আসে, এক দন্ড খাড়ায়া চম্পট, কতসম্পূর্ণ
সে কোন বাটিতে কও দিয়াছিলা এমন চুমুক নীল হয়া গ্যাছে ঠোঁট, হাত পাও শরীল অবশ,সম্পূর্ণ
কি আছে তোমার দ্যাশে? নদী আছে? আছে নাকি ঘর? ঘরের ভিতরে আছে পরানের নিকটে যেসম্পূর্ণ
হাতে তুলে দাও আকাশের চাঁদ– এই হল তার বুলি। দিবস রজনী যেতেছে বহিয়া, কাঁদে সেসম্পূর্ণ
হে আদিজননী সিন্ধু,বসুন্ধরা সন্তান তোমার, একমাত্র কন্যা তব কোলে। তাই তন্দ্রা নাহি আর চক্ষে তব,সম্পূর্ণ
আমার শুধু ইচ্ছে করে উড়তে সারা বেলা, মনের সুখে যেথায় যাবো করে নানান খেলা। ফুলেরসম্পূর্ণ
অকারণের অভিমানে
কাঁচ গায়ে আজ বৃষ্টি নিরন্তর ।
ভাবি তুমি শীতের শেষে
পাতা ঝরা মোর বৃষ্টি ভেজা ঘর।।
হালকা দোলায় দোলে
তবু সে দোলনচাঁপাই চায় ;
আবার নিশী কোকিল ভালোবাসে
কাকের বাহানায়।সম্পূর্ণ
অজস্র জন্ম ধরে আমি এভাবেই হাঁটছি কিন্তু পৌঁছতে পাচ্ছি না তোমার সীমানার নিকটে
মৃত্যুর প্রত্যাশা নেই এই জীবনের অমরত্ব লাভের
সমস্ত কিছুই মায়া ছাড়া কিছুই নয়
চোখের বাহিরে গেলে ডাকবাক্সে জমা পড়ে হাজারো চিঠি কিন্তু সেগুলো দেখার মতো কেউ আর থাকে না
সবাই চিরঘুমে ঘুমিয়ে থাকে
যাদের উঠাবার সামর্থ্য আমার কাছে থাকে না।সম্পূর্ণ
ব’য়ে যাওয়া ঠোঁটের ছোঁয়ায়; ঘন সন্ধ্যা নামে আমার বু’কে;
নষ্টদের সকল প্ররোচনা ধু’য়ে যাক অপার্থিব সৌন্দর্যে-সবুজে
কারুকার্যময় সকল কিছু আজ আমার হোক পার্থিব মুহূর্তে;
দিগন্তের শেষ সীমানায় পৌঁছে যাব কেঁপে উঠা রাত্রিকালে
সকল স্পর্শ আজ ছুঁয়ে যাব পরস্পরের কোমল রিক্ত ঠোঁটে;
সম্পূর্ণ
জীবন রক্ষায় পরম বন্ধু নির্মল রাখে.. মন, বাঁচার জন্য আশ্রয় মোদের আজ অরণ্য বন। জাতিরসম্পূর্ণ