আইনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম আমাদের গৃহত্যাগী মানুষের
রক্তাত্ব অ্যাকুলতা শূন্যের হৃদয়ে গুমড়ে নষ্ট হয়।
পৃথিবীর কাল্পনিক মেরুদণ্ডে হয়তো আমাদের বসবাস
জীর্ণতাবাদের তাজা অশ্রু চোখের নদীতে জমিয়ে।সম্পূর্ণ

কেটেছে রাত উদাসীন কবিতার পাতা উল্টে
তারা দূরে গেছে সরে — বন্ধুরা ঋণের চাপে শ্রমে।

দিন রাত্রির পৃথিবী – চোখে গভীর স্বপ্ন
হারিয়ে যায় মানুষ কত হারিয়ে যায় সময়
পালকহীন পাখির উড়তে গেলে মানাই !
বৃষ্টি আসলে বুঝে যাই মানুষ কীসে অসহায় !
সম্পূর্ণ

বিবর্ণ আঙ্গুলে ভালোবাসা নেই যেন বিষাদ সিন্ধু
পাখিদের জন্ম তো মানুষের জন্ম নয়!
ভাগ হয়ে যাওয়া হৃদপিন্ড কাঁদের বসতভূমি !
চোখের নিমেষে সব হারিয়ে যায় যেন তুলসী পাতার জল

সূর্য দাগ অমাবস্যা রাত্রি
বিরুদ্ধ ভালোবাসা – সঙ্গহীন শিরা উপশিরা
ঈগলের ডানায় আইন, শাসন তো ব্যাভিচারী নয় !সম্পূর্ণ

বুকের ভিতর এলিট্রাফ জোন
আবছায়া অন্ধকারের ভিতর থেকে বলে উঠি শুনতে পারছ?
কোনো উত্তর আসে না পৃথিবীর পথে
শিরদাঁড়া ছিঁড়ে একশো ফেরেশতা অবধি এগিয়ে যাই
সন্দেহ নেই নামের নিচে একটি নদী তার প্রবাহে চঞ্চল।
সম্পূর্ণ

লিখেছি সৎ আর অসতের বিপরীত ভাব
লিখে কারো ক্ষতি করে চাইনি কোন লাভ
লিখেছি মিটাতে মনের সৃজন বেদনা
লিখিনি করিতে কারো ভরা কলসি কানা।সম্পূর্ণ

উৎসব শেষে
– মল্লিকা রায়
ছক কাটা প্রহরের গায়ে এখন নি:স্তব্ধতা
ভয়
তর্পণ শেষে ফিরে গেছে নৌবাহিনী
কোন নির্বাহ নেই আজ, গড়িয়ে যাওয়া যায়
একভাবে বিনা দায়ে
প্রশ্ন সেরে সময় আজ থমকেছে
যাবতীয় ফেলে আসা নাক্ষত্রিকে, অর্ধাকার
উপগ্রহ তার ছায়া সম্পূর্ণ

এই শহরের তুমুল বৃষ্টিতে ভিজবো
চোখ থেকে অবিরাম অশ্রুধারাকে লুকাতে।
হাতে অধিকার পাষাণ হৃদয় খসবে
ভাঙবে মন….
চোখের নদীতে বরফ জমবে ক্রমান্বয়ে
পথ শূন্য করে।সম্পূর্ণ

দৃষ্টির অগোচরে হারিয়ে যাই অনতিকাল
মনেতে তারা খসা যন্ত্রণা নিয়ে।
পোড়ানো হৃদপিন্ড বিশুদ্ধতা পাথেয়
অন্যায় নেই সর্বগ্রাসী জীবন্ত চোট
প্রজ্বলিত প্রদীপের শিখাতে চালযুক্ত চেতনার সঞ্চয়।সম্পূর্ণ

ভাঁজহীন শিরদাঁড়ায় ক্ষয় মানুষের জীবাশ্ম নয়
ডুবে যাওয়া জাহাজের ভগ্নাবশেষ পরিবর্তনশীল
পরিবর্তনশীল একশো কোটি বছর
দেওয়া নেওয়ার হিসেবে ব্যবহার হয় নিয়ম।

ভাগ্যের চাকা স্থিতিকরণ
ডুবে যায় একশোটি জীবন্ত রাত
কেউ কথা রাখে না ! কথা তো চূড়ামণি নয় !
শেষ হয় অস্তিত্ব কিন্তু অবকাশ তো মৃতজীবী নয়!সম্পূর্ণ