বিরামহীন এ পথ চলা
চোখের ভিতর মহাযুদ্ধের আন্দোলন
হাত দিয়ে কুড়িয়ে এসেছি বিষণ্ণতার সমস্ত কথা
মানুষ এগিয়ে গেছে তাঁদের চলার পথ ধরে
আমি এগোতে পারিনি কারণ পাখিদের কথা ভেবে
আমি ফিরে এসেছি নিজের ঠিকানাতে….সম্পূর্ণ

আমি মানুষ ঠকিয়ে মানুষ হতে চাই না
ত্যাগ না স্বীকার না করেও ত্যাগী হতে চাই না
এর চেয়ে বরং মেঘ হয়ে আকাশে ভেসে যাবো
যেখানে থাকবে না কোনো বাঁধা বিপত্তি এমনকি হারিয়ে যাওয়ার ভয়।সম্পূর্ণ

আকাশ নীল মৃত সমস্ত আকাশের তারা
নেই কোথাও হারিয়ে যাওয়ার ভয় !
বিন্দু বিন্দু বিসর্জন নদী চঞ্চল গতিধারা
জোনাকিদের বুক চিরে আসে রাত্রি
ক্ষয়িষ্ষু জীবনের স্রোতে ভিন্ন – অভিন্ন হয়ে।

বিবর্ণ রঙের পিপীলিকা আঁকে সমুদ্র স্নান
প্রার্থনার মন্দির গড়েছি হাতের শিরা উপশিরায়
আপত্তি নেই কারো – তবুও জলে ধুয়ে গেল অনুপ্রেরণা
অনুরক্ত হল হৃদয় উপমাহীন মানুষের নকশা উম্ফোলন।

সম্পূর্ণ

অনেক ছবি আঁকা হল
পৃথিবীর সমস্ত ভূমিক্ষয় মানুষের শরীরে
তা ও জানা হলো — আমি জানালাম না ক্ষুধার্ত শিশুর কথা !
নাটকের চরিত্রে প্রতিবাদ অবাঞ্চিত ঘটনা
বন্ধুশূন্য পথ সমস্ত জীর্ণতা মুছে দিয়ে উন্মুক্ত জীবন
কিছুটা পরিবর্তন কিছুটা অভিনয় কিছুটা সময়ের অবজ্ঞা ।
সম্পূর্ণ

আমার কথাগুলা কাব্য হয়, তোমার কথা এলে।
হৃদয় আমার দ্বার খুলে দেয়, তোমার গন্ধ পেলে।
তোমার স্নিগ্ধ শরৎ আর বুক ভরা দরদ
সব যেনো শুধু আমার।
আমার মনে গাঁথা কাব্য যতো,
সবে নাম শুধু তোমার।সম্পূর্ণ