কলম কালির কবির যুগ পেরিয়ে গেছে সেই তো কবেই
এখন সবাই কীবোর্ড চেপে জমায় কথা,
কাটাছেঁড়ার কাজটা এখন ব্যাকস্পেসেই কত্ত সহজ।
যুগের হাওয়া আম্মার গায়ে লাগেনি,
আম্মা এখনও যত্ন নিয়ে, বুক ভরা দরদ নিয়ে সুতোয় বোনে
একটা করে শীতের কাঁথা, একটা করে কাব্যগ্রন্থ।সম্পূর্ণ

অবশেষে ধনশাস্ত্র নীতিশাস্ত্রকে বলে,
অংকঅজ্ঞ বিত্তবানদের সম্পদের হিসেবের মতো,
মানুষের মাথা গোনাও পাপ,মহাপবিত্র পাপ।সম্পূর্ণ

সভ্যতা,সময় ও উপলব্ধি ফিকে হয়
মানবের চাহিদা পূরণ হয়,
তবুও স্বস্তির মুখ দেখা না হয়,
স্বস্তিরা সব অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে নতুন আবেদনের ভিড়ে,
দুরন্তর পথে নিরন্তর ছুটে চলার এক অক্লান্ত অবিশ্রান্ত প্রয়াসে,
মেকি ছলনার ক্ষণিক ক্ষেপনে সময়ও বিষণ্ণ হয়,
তাকে নিয়ে আরও দ্রুত,আরও বেগে,আরও ছুটে চলার এক অসম্ভব প্রার্থনা সময়ের,
সময়ের এ প্রার্থনা কার দরবারে?
আমার না ঈশ্বরের?সম্পূর্ণ

চোখে বিবশ রজনী
নদীর মোহনায় ছুঁটে পথ হারায় কত পথিক
তার সংখ্যা বেহিসেবী।
মোমবাতি প্রদীপ নিজে জ্বলে অপরকে আলোয় ভরায়
যেমন ভাবে সূর্য আলোয় ভরায় পৃথিবীকে – তেমনি।
একঝাঁক পাখি ওড়ে আকাশের পথে
সবে মাত্র ডানা হারানো পাখিটিও তাঁদেরকে দেখে উড়তে স্বাদ জাগে
এইতো কয়েকদিন আগে সেও উড়ে বেড়াতো স্বাধীন হয়ে
আজ নিঃস্ব – নগণ্য – হীন
শুধুমাত্র সময়ের ব্যবধানে করুণ পরিণতি পাখিটির।সম্পূর্ণ