একদিন সব বাঁধ ভেঙ্গে দিয়ে

কালকেউটের বিষাক্ত শরীর নিয়ে

মহামারী সাজে ছড়িয়ে যাব সমগ্র মানব সমাজে ।

যেরকম দিকে দিকে আছে আমার হাজার হাজার শাখা ,

মানব সমাজের ওপর দিয়ে বয়ে যাবে আরেকটা বিষ মাখা । সম্পূর্ণ

নারিজাতির সৌভাগ্য রচিত বুকের পাঁজর এসরাজ নিয়মে বাঁধা
রূপসী বাংলা- বনানী ঘেরা সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে
হলুদ বসন্তের ছোঁয়া লাগে হৃদয়ে।

বহুকাল পরে জানবে রাত্রির মায়ার কাহিনী
শুকিয়ে যাওয়া গোলাপ গাছের আত্মজীবনী স্বর্ণ-রেণুর মতো আত্মত্যাগ বীরত্ব সাহসিকতা নিয়ে চলে যাওয়া হৃদপিন্ডের কিরিকেট দূর।।সম্পূর্ণ

আমি মানুষ শুধু ধ্রুবকের নিয়মানুসারে
পিছে চলি অতীত পৃথিবীও আমার দৃঢ় লাগে বলে।
ভুলে গেলে চলবে না তবুও কৃষির উন্নতির মতো এগিয়ে গিয়ে বিরহের বিরুদ্ধে হেরফের এর মামলা দায়ের করে করে কেঁপে উঠি ভূমিকম্পের মতো।।সম্পূর্ণ

কে তুমি হরিণীর মতো হতে এসেছো
চিনিনি চিন্তিত বক্ষত্রের চিন্তাসূত্রে
একটা আস্ত মানুষ কেবলি পছন্দ করছে গাছের পাতা ঝরে যাওয়া
হেমন্তের শিশিরের শব্দের প্রহরীর মতো রূপভেদ তাঁর
হয়না নিস্তব্ধ তবুও শান্তশিষ্ট নিষ্পাপ মুখ ধুয়ে
আমি সোজা পথে হাঁটি অনেক।।
সম্পূর্ণ

এভাবেই সবকিছুই শেষ করে দিতে পারি
ধুলো কিংবা বারুদের স্তূপের মতো
আবারও প্রচুর অভিমানী কল্পনা শূন্য হৃদয়ে জমে।
নক্ষত্র উপগ্রহের মাধ্যমে দিকভ্রান্ত পথিকের মন ভালো নেই – পোড়া ছাইয়ের গন্ধ চোখের জল পুলকিত হয় অন্তরের ব্যথার প্রবৃত্তি হৃদে।

সম্পূর্ণ

রক্তের চক্র ধরে রক্তিম আমাদের চলার পথ
চোখের পাতা ভারী হয়ে উঠেছে বিদায়ের ঘন্টা বৃষ্টি ভেজা রাতে
আসেনি তারাদের নিস্তব্ধতা জুড়ে মৃত নক্ষত্র
অন্ধকার ঘরে শুধু জোনাকিদের আলো

আমি অনেক দূর। আকাশের প্রতিবিম্ব নিয়ে শুকনো গোলাপের পাপড়ির বেদনা লিখি নীলচে প্রহরে।
কেঁদেছি বহু রাত সাড়ে দিবসের বিনম্র বিশুদ্ধ হৃদয়ে
মনে পড়ে যায় বহু স্মৃতির অর্বাচীনের পাতাগুলো
বরং নমস্কার জানিয়ে দূরে রয়ে অদূর দূরে।সম্পূর্ণ

আমাদের পথ সুদূর থেকে দীর্ঘ প্রসারিত
কবে কার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উড়েছিল এই পৃথিবীর অভেদ্য জঠরে।
সভ্যতার বারুদে আমাদের আগুনের মহাযুদ্ধের ইতিহাস – চিনতে ভুল হয়না একটি সুন্দর ফুল যখন ফোটেনি তখন থেকে ঝরে যাওয়ার পরেরও মুহূর্তগুলো।সম্পূর্ণ

আসলে কবি একজন নকলনবিশ,
অসম্ভব ভালো একজন অভিনেতাও বটে।
যে তার কৃত্রিম ভাবপ্রকাশে এতো ভালো
বাস্তবে অনুভব করা বেদনাকেও ছাড়িয়ে যায়।
সম্পূর্ণ