মোমগলা কান্না
মা,বাবা নামক মোমবাতি আজ আলো দেয়না বলে, খোঁজ রাখার তো প্রয়োজন নেই জানি সন্ধ্যা হলে!সম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
মা,বাবা নামক মোমবাতি আজ আলো দেয়না বলে, খোঁজ রাখার তো প্রয়োজন নেই জানি সন্ধ্যা হলে!সম্পূর্ণ
এখন নিজেকে একটু গড়ি,
এখন নিজের জন্য করি।
আর কয়দিন ই বা আছি..?
যে কয়টা দিন বাকি আছে,
নিজের জন্য বাঁচি…?
সম্পূর্ণ
তুফান আসবে ঝটকা বেগে ধ্বংস হবে সবি, উঠবে নাতো ওই দিগন্তে আলো ছটা রবি। নামছেসম্পূর্ণ
এখানেই দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি, যখন সবকিছু চতুর্দিক দিয়ে নিস্তব্ধ
হ’য়ে আসছিল, তাকিয়ে ছিলাম গাঢ় মেঘের দিকে, তার প্রোজ্জ্বলিত
সব আলো যেন অলৌকিক যাদুকরের মতো আমার দিকে প্রসারিত;
আশ্চর্য, কল্পনার তুলিতে ভাবনার অর্থহীন মর্মর ধ্বনি, সবচেয়ে জটিল
সম্পূর্ণ
অনেকগুলো মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলাম নিবিড়ভাবে, গভীর দৃষ্টিতে, যারা সফল, সমাজ রাষ্ট্রে আর সভ্যতায়; পৃথিবীরসম্পূর্ণ
আশ্চর্য আমার নির্মল বিস্ময়কর ভাবনা; অপূর্ব গাঢ় মেঘের বৃষ্টির ফোঁটায়
ঝ’রে পড়া অমলসৌন্দর্যের সুনিবিড় কারুকার্যময় রূপান্তরিত সপ্ত সীমাহীন
ভাবনাবোধের গতিহীন ছুটে চলা; নষ্ট অযৌক্তিক রচিত সব অমরবাণী;
পৃথিবীর উজ্জ্বল রঙে শোকাবহ রুগ্ন মানুষের আমৃত্যু ব্যাধি, গাঢ় শূন্যতার
সাথেই যাপন করি পবিত্র রাত্রি; শিশিরে প’ড়ে থাকা অম্লান জ্যোৎস্নায়।
সম্পূর্ণ
থাকতো যদি পাখির মত স্বাধীন দুটো ডানা, ইচ্ছে মতন উড়তাম শুধু নাহি শুনতাম মানা। মা’য়েসম্পূর্ণ
নীলবর্ণ অবনীর ছায়াতলে শোভিত শরীর,
মন ও মননের জাগরণ লুটে নিয়ে গেছে নব্য ভূস্বামী! সম্পূর্ণ
খায় না কেহ পায় না বলে ফেলছে কেহ ছুঁড়ে, ক্ষুধার জন্য কেউ বা আবার অনাহারেসম্পূর্ণ
একুশ মোদের বাংলা ভাষার স্বাধিকার সেই দিন, বাংলা ভাষার মাঝেই আছে শহীদের ওই চিন। একুশসম্পূর্ণ
হয়তোবা কিছুদিন পৃথিবীর আলোছায়ায়
বুভুক্ষু মানুষের দল আহাজারি করবে,
অনাহারে তাঁদের কেউকেউ চলে যাবে
চির অন্ধকার মাটির গহব্বরে!
কেউকেউ বিত্তের-কেউবা চিত্তের রাজত্ব হারাবে!সম্পূর্ণ