এখানেই দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি, যখন সবকিছু চতুর্দিক দিয়ে নিস্তব্ধ
হ’য়ে আসছিল, তাকিয়ে ছিলাম গাঢ় মেঘের দিকে, তার প্রোজ্জ্বলিত
সব আলো যেন অলৌকিক যাদুকরের মতো আমার দিকে প্রসারিত;
আশ্চর্য, কল্পনার তুলিতে ভাবনার অর্থহীন মর্মর ধ্বনি, সবচেয়ে জটিল
সম্পূর্ণ

আশ্চর্য আমার নির্মল বিস্ময়কর ভাবনা; অপূর্ব গাঢ় মেঘের বৃষ্টির ফোঁটায়
ঝ’রে পড়া অমলসৌন্দর্যের সুনিবিড় কারুকার্যময় রূপান্তরিত সপ্ত সীমাহীন
ভাবনাবোধের গতিহীন ছুটে চলা; নষ্ট অযৌক্তিক রচিত সব অমরবাণী;
পৃথিবীর উজ্জ্বল রঙে শোকাবহ রুগ্ন মানুষের আমৃত্যু ব্যাধি, গাঢ় শূন্যতার
সাথেই যাপন করি পবিত্র রাত্রি; শিশিরে প’ড়ে থাকা অম্লান জ্যোৎস্নায়।
সম্পূর্ণ

কেননা আমি যখন অন্য শহরে,
অন্য জীবনের পথে যাচ্ছিলাম, –
তখন আমার সাথে কোন জমকালো লাগেজ ছিলোনা;
কিংবা স্মৃতি রাখার জন্য অন্য কোন জায়গা।সম্পূর্ণ

হয়তোবা কিছুদিন পৃথিবীর আলোছায়ায়
বুভুক্ষু মানুষের দল আহাজারি করবে,
অনাহারে তাঁদের কেউকেউ চলে যাবে
চির অন্ধকার মাটির গহব্বরে!
কেউকেউ বিত্তের-কেউবা চিত্তের রাজত্ব হারাবে!সম্পূর্ণ