কবিতার পঙক্তিতে দেওয়া হলো অমরতা, তারপরও নক্ষত্রের রাতে তারা
হারিয়ে গেল শেষ রাতে আকাশের অজানা দিকচিহ্নহীন কোমল পথে,
আমার দু’চোখে গেঁথে থাকলো কোমল-নরম স্পর্শের ছোঁয়া সমস্ত প্রতীক্ষার অবসানে মেঘের আড়ালে বাতাসে দুলতে থাকে আমার নষ্ট স্বপ্নগুলো লাল-নীল রঙিন বেলুনের মতো;
সম্পূর্ণ

নীলিমার নক্ষত্রে সমস্ত অন্তরে ছায়া ফেলে আমার গাঢ় দুঃস্বপ্ন
মাধুর্যময় আমার সমস্ত রচিত সংগীত নিঃশব্দে ব’য়ে চলা শিশিরে অতীন্দ্রিয় ভাবনায় স্মৃতিরা বেঁচে থাক সৌন্দর্যের সুস্নিগ্ধ আশ্চার্য জীবনে।

সম্পূর্ণ

পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েও ভাবনা
বেঁচে থাকার মানে এক অন্য রকমেরই লাগে
তুমি দুঃখ দিয়েছো বলে ! আজও আমি বেঁচে থাকতে চেয়েছি
রোদ্দুর বেশান্ত অগ্নিশীল প্রলয়ের দাপটে মাঠের সব ফলস আমার হৃদয়ে আস্তানায় জমা হয়
দীর্ঘ জীবনের জন্যসম্পূর্ণ

মননচৈতনৌর বিপরীতে ঘুরছে মহাকাল, নিরন্তর আয়ুক্ষয়,
ডুবে যাচ্ছি স্তব্ধতার গভীরে, অদ্ভুত এক চাঁদ ঠিকরে
নিঃশব্দে ঘুরছে পূর্বপুরুষদের ঐশ্বর্যের মহাকাব্যে!সম্পূর্ণ