আত্মবিসর্জন
আত্মবিসর্জন হঠাৎ কোনো সন্ধ্যায় একটি মৃত্যুর গন্ধে শান্ত হবে পৃথিবী আমি গোধূলির বুকে শুয়ে রবোসম্পূর্ণ
আজীবন শূন্য মানুষ
দেখেছি একাকী বন্ধুর পথে বন্ধুত্বের অপঘাত বিশ্বাসকে দগ্ধ করেছে!
সম্মুখে দেখেছি গহীন রাত্রিতে একাকী
আমাকে অন্ধকার গ্রাস করছে হিংস্রের মতো।
অতঃপর, প্রেমিকের বুকে প্রেম দেখেছিসম্পূর্ণ
শোষিত শ্রমিক,শোষিত কোকিল
তবু সেই মায়াবী রাতটাই চাই–যে রাতে যে কোনো সঙ্গীতে
পথহারা পেতে পারে হারানো পথ,রাতের যে কোনো কবিতাতে
আঁধারে ধার দিতে পারে কবি আলোর আকাশ তার, ক্ষুধার
ইতিহাস ক্ষুধাকে জয় করে উর্দ্ধে উঠুক যে কোনো বশ্যতারসম্পূর্ণ
সমুদ্রে পড়লে নক্ষত্র (অনু)
হারায়ে স্বপ্নের বল রজনীর ঘোরে
আহত নক্ষত্র এক লোনা জলে খসে পড়ে যদি,
থাকে না অতল সেই সমুদ্রের বুক
নীরবে আঘাত সয়ে জেগে রয় হয়ে মরা নদী!সম্পূর্ণ
ক্ষনিক ঘুমের ঘোরে (অনু)
ঘুমের ঘোরে বসেই দেখি স্তব্ধ হিজল তলে,
যাচ্ছে ভেসে কপাল আমার আধলা নদীর জলে!
পড়লো পাশে আকাশ থেকে একটা তারা খসি,
কেউ দ্যাখেনি সাক্ষী শুধু কণ্ঠ হারা শশী।সম্পূর্ণ
অনেক দিন তাঁদেরকে দেখি না
অনেক দিন তাঁদেরকে দেখি না, যাঁদেরকে চোখের কোণে লুকিয়ে রেখেছি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে; অশ্রুকোণেসম্পূর্ণ
জলের চাঁদ (অনু)
জলের অতলে আজ ঘুরে এক চাঁদ
বুকের পাঁজরে তার খেলা করে লহরিরা হেসে,
বারে বারে ঢেকে দেয় অমানিশা মুখ
ক্ষণিক কিরণ কিছু পৌঁছে না এ’ পৃথিবীতে এসে।সম্পূর্ণ
দশ হাত জমীন
মাছে মাছে জলাভূম
ছিপে ফেলে এ আমার কোন্ পূর্তি খোঁজা !
পিছেও রাবণ , রাধার রমণগুলো
টিক্ মারা থাক্ লঙ্কাকান্ড হতে আর
কয়েক প্রহর !
মাথা পিছু তিন চার মুখ
শেষ পাত্ তোকে আমি উৎসর্গ করি
চিনে চিনে ওরা আগে সৈন্য
খুঁজে নিক্ | দৃশ্যে থাক্ যুদ্ধাহত দশ হাত জমীনসম্পূর্ণ
পাষাণ প্রিয়া
উওরা বায়ু বইছে দেখো দখিনা দিক দিয়ে—- বনের পাখি মনে ডাকলে থাকি কোথায়—গিয়ে? ➖> পাড়াপড়শিসম্পূর্ণ
বাবা এক পৃথিবী বল
বাবা আমার জীবন জুড়ে একটা সুখের নাম, আমায় গড়তে ঝরায় বাবা কতো গায়ের ঘাম। বাবাসম্পূর্ণ
বলছি শুনতে পারবেন
সবখানেই বালাই পেট
গেরস্থানেও শেয়ালের জায়গির
আধপোড়া ঘিলুটা নাভিটায় পৌরহিত্য
শ্মশাণেও ,
অধস্তনের এ তুচ্ছ অবরোধ
শোনে কে বলতো –সম্পূর্ণ
একদিন শেষ হবে!
একদিন শেষ হবে জীবনের খেলা, হয়তো ভাববে বসে গোধূলির বেলা। উড়ে যাবে মাছরাঙা ঠোঁটে নিয়েসম্পূর্ণ