দিগন্তদেশ
ওই যে প্রান্তে পরন্ত বিকেলগুলো
গলে যায় জাহ্নবী জলে
সেইখানে, সেই দেশে চলো আজ
নেহাৎ হারিয়ে যেতে হলে
বিলীন বিশ্বাস
শোন পথিক, মত বড় বিচারকের দল
আমি এবার ভিন্ন কেউ হবো
তবু শূন্য রবে হৃদয়; পথে ঘাটে ভূল মানুষের ভীর
ভীর থেকে কেউ আমার আপনজন,
সেই আপনের জামার নিচে ছুরি
সুযোগ পেলেই পিঠে দিবে ভরে।সম্পূর্ণ
দেখা হোক আবার
কত টা পুড়ে ছাই হলে হাওয়া হবো; তার ঘ্রাণে মিশে যাব
দূরত্ব হবে দূর? অচেনা রই তবু কাছি থাকার সৌভাগ্য পাই
তাই আমি জ্বলতে ব্যস্ত; ভালোবাসাই কাচা পণ্য
প্রেটোলের প্রয়োজন নেই: আমার স্বপ্ন মেটাবে চাহিদা
তবু কাছে যাই। দেখা হোক প্রতিটা গলিতে
বাসে পাশের সীটে। ভয়ে অভিমানে অনুভবে। সম্পূর্ণ
শীতল রাতের উষ্ণতায়
কোকিল কি জানে, কোকিল কি বোঝে, যে কোকিলের গানে
রাখবো বিশ্বাস। সে গাইছে আপনার গান অবুঝ আপনমনে।
তোমার আমার পৃথিবীর বীভৎস চেহারা চিনে না সে আজও।
এসো,চাই, নিজের গানে যেভাবে মেতে আছে, আজীবন যেন
ওইভাবে মেতে থাকে ও।সম্পূর্ণ
আমরা তাদেরই উত্তরাধিকার
একটি জাতির স্বাধীনতার জন্য বুকের তাঁজা রক্ত ঢেলে দিয়ে ছিল কর্দমাক্ত রাজপথে,
আমরা তাদেরই উত্তরাধিকার,বেঁচে থাকবো চিরকাল।সম্পূর্ণ
এসে গেছে রমজান
কেন ভাই বসে আছো মুখ করে ভার? উঠেছে নতুন চাঁদ দ্যাখো একবার! ’আমি কি হাসতেসম্পূর্ণ
যদি ফিরে পেতাম? শৈশব
যদি ফিরে পেতাম- সেই সোনা রোদ আর গোধূলি সে বেলা,, বেলা বয়ে যায় তবুও নিশ্চিন্তেসম্পূর্ণ
শোষিত শ্রমিক,শোষিত কোকিল
তবু সেই মায়াবী রাতটাই চাই–যে রাতে যে কোনো সঙ্গীতে
পথহারা পেতে পারে হারানো পথ,রাতের যে কোনো কবিতাতে
আঁধারে ধার দিতে পারে কবি আলোর আকাশ তার, ক্ষুধার
ইতিহাস ক্ষুধাকে জয় করে উর্দ্ধে উঠুক যে কোনো বশ্যতারসম্পূর্ণ
পায়ের শব্দ
কত কথা জমা, যা হয়নিকো বলা
শুধু মনে মনে পুষি
কত লেখা লিখি তোমাকে দিব বলে
সযতনে যা তুলে রাখি।সম্পূর্ণ
হিমু হতে চেয়েছিলাম
আমি বৃষ্টিতে ভিজবো,
একজন রূপাও ভিজবে।
সে আমাকে ভালবাসতে চাইবে,
খুব করে চাইবে একটি চুমু সেঁটেদিতেসম্পূর্ণ