একটানা একুশ ঘন্টা
একটানা একুশ ঘন্টা সিলিং থেকে ঝুলে ছিলো প্রেমিকা, ক্রুশবিদ্ধ যিশুর মতো বেদনার্ত একজোড়া চোখ বুঝেসম্পূর্ণ
বিরহের কবিতা সমূহ রয়েছে এখানে।
একটানা একুশ ঘন্টা সিলিং থেকে ঝুলে ছিলো প্রেমিকা, ক্রুশবিদ্ধ যিশুর মতো বেদনার্ত একজোড়া চোখ বুঝেসম্পূর্ণ
একদিন শেষ হবে জীবনের খেলা, হয়তো ভাববে বসে গোধূলির বেলা। উড়ে যাবে মাছরাঙা ঠোঁটে নিয়েসম্পূর্ণ
নক্ষত্রের আলো নামে পৃথিবীর দেহে
পৃথিবীর ছায়া যদি অনুরূপ যেতো ওই দেশে,
হয়তো কারোর বুক অগোছালো পেয়ে
কার্তিকের বেনোজল ঘুরতো না ক্ষণকাল এসে!সম্পূর্ণ
হাজার বছর আমি করলাম গত পৃথিবীর এই বুকে পেয়েছে কে এতো আয়ু? একশত বছরই তোসম্পূর্ণ
অভাবে আমার ঘর জ্বলে পুড়ে ছাই তবে এ আগুন লাগা তো সে আগুন লাগা নয় !
এটা মানুষে মানুষে বিবেকের আগুন লাগার নাম বলে থাকে লোকে
এটাকেই অন্যভাবে বলে দগ্ধ হয়ে যাওয়া।
হেমন্ত কি ক্ষয়ে গেছে জানো মধুরিমা? ঢেঁকির শব্দই আজ আসে না যে তৃষ্ণার্ত দু’কানে! চাঁদনীসম্পূর্ণ
তোমার বিয়ার দিন মনে হইল, সত্য নিও মনে, এত বড় এত গোল কোনোদিন দেখি নাইসম্পূর্ণ
কে য্যান কানতে আছে- তার শব্দ পাওয়া যায় কানে, নদীও শুকায়া যায়, আকালের বাতাস ফোঁপায়,সম্পূর্ণ
একবার চাই এক চিক্কুর দিবার, দিমু তয়? জিগাই কিসের সুখে দুঃখ নিয়া তুমি কর ঘর?সম্পূর্ণ
হয়েছে হলুদ ঘাস বাঁ পাঁজরে ম্লান ঝলকে পড়ে না আর সোহাগিনী যমুনার জল, খুঁজতে গেলেওসম্পূর্ণ
দুয়ারে প্রস্তুত গাড়ি; বেলা দ্বিপ্রহর; হেমন্তের রৌদ্র ক্রমে হতেছে প্রখর। জনশূন্য পল্লিপথে ধূলি উড়ে যায়সম্পূর্ণ
উল্টো পথের মোড়ে জ্বলে যাওয়া বাড়িটার দিকে তাকালেই দেখি কয়েকটি কয়েকটি জীর্ণ কাঠ আধপোড়া পড়ে আছে মাটিতে
তাঁদের অন্তরে খুবই বিরহ ভরা যেমন বিরহ কেউ কারো প্রিয়জন দিয়ে থাকে ঠিক তেমন।।সম্পূর্ণ
কেঁদো না শালিক তুমি হিজলের ডালে গোধূলি বেলার এই ধারে, তোমার মায়াবী চোখে দেখলে গোসম্পূর্ণ