কবিতার সমাধান
সব শ্রেণী পেশা কিংবা শ্রেণীহীন হাত তুলে নিচ্ছে দেখো রক্তের কলম,
পান্ডুলিপির শরীর থেকে, কেটে দেবে তাদের সারিবদ্ধ লাইন;
পথভ্রষ্ট শব্দরা কবিতার স্বীকৃতি পাবেনা।সম্পূর্ণ
সব শ্রেণী পেশা কিংবা শ্রেণীহীন হাত তুলে নিচ্ছে দেখো রক্তের কলম,
পান্ডুলিপির শরীর থেকে, কেটে দেবে তাদের সারিবদ্ধ লাইন;
পথভ্রষ্ট শব্দরা কবিতার স্বীকৃতি পাবেনা।সম্পূর্ণ
নিরুদ্দেশের মা ©আজিজুল হক যখন আমি একলা থাকি; মিছিলের স্লোগান গুলো আমার নিঃসঙ্গ রাতের সঙ্গীসম্পূর্ণ
আজ পদ্মা সেতু আর স্বপ্ন নয়,
দূরত্ব ঘুচিয়ে মিলেছে দুই পার,
মনে আর নেই কোনো সংশয়,
দৃপ্ত শপথ ছিলো শেখ হাসিনার
লাল সবুজ প্রান্তর পাহাড় ঝর্ণা,
এই বাংলা তোমাকে ভালোবাসে,
তুমি জাতির পিতার প্রিয় কন্যা,
তাঁর দৃপ্ত প্রতিচ্ছবি মুখে ভাসে
ওহ টেকো মাথার সূর্য, কার রোদ পেয়ে তোমার এমন হাট্টিমাটিম খেলা? সে কি তোমাকে আমসম্পূর্ণ
যদি বাড়ি হত পাহাড়ের দেশে, জীবনের সকল না পূরণ হওয়া আশার আক্ষেপ- হাওয়ায় মিশে যেতসম্পূর্ণ
এসো হে বৈশাখ তোমাকে জানাই স্বাগতম তুমি আসবে বলে অফেক্ষায় এখোনো গুনছিলাম দিন এসোছো বলেসম্পূর্ণ
একটা ভাষা নামক মুক্তার মালা আমার গলায়
প্রিয় গানে অভিমানে মায়ের মুখের বুলি
আমার কবিতা; শহিদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথ
আমার বাংলা; আমার একুশ।সম্পূর্ণ
পথে পথে লাখো জনতার ভীর
বাংলাদেশ যেন সেদিন রেসকোর্স ময়দান
এক ব্যক্তি, এক মত, এক বাংলা আমার
স্বাধিনতা চাই স্বাধীনতা চাই এই পণ সবার।সম্পূর্ণ
একটি জাতির স্বাধীনতার জন্য বুকের তাঁজা রক্ত ঢেলে দিয়ে ছিল কর্দমাক্ত রাজপথে,
আমরা তাদেরই উত্তরাধিকার,বেঁচে থাকবো চিরকাল।সম্পূর্ণ
২৬ শে মার্চ
তুমি সেই মুক্তির বরণডালা হাতে
লাখো বাঙ্গালীর স্বপ্নের লালিত খাম।সম্পূর্ণ