রাত বাড়লেই আমি দেখি
স্কুল ফেরত চাকমা শিশুর ক্ষত মুখাবয়ব
ফেলানীর উল’ঙ্গ দেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কাঁটাতার,
আমি শুনতে থাকি
গাছের সাথে বেধে
পি°টিয়ে হ’ত্যা করা খোকারামের চীতকার।
সম্পূর্ণ

পরোয়া করিনি দাঁড়িয়ে বিশ কিলোমিটার বাস জার্নি
কিম্বা ছিড়ে পড়তে চাওয়া ক্ষুধার্ত পেটের।
অথচ কি নির্মম গণহত্যা
আমাকে দেয়া সব প্রতিশ্রুতিদের।
সম্পূর্ণ

তোমার চোখের ধুলোরা একদিন পালিয়ে যাবে
একদিন তুমি দ্যাখতে শুরু করবে
সব মিথ্যের দেয়াল ভেঙে যাবে
তুমি শুনতে পাবে সব সত্যদের চীতকার,
বার্বাডোজের স্বচ্ছ জ্বলের মতোন স্পষ্ট হয়ে উঠবে সব।সম্পূর্ণ

আমি ঘুমুতে পারিনা,
এই ছোট্ট ঘৃণা অবহেলা সব ভুলে____
অধিকারের সুরে বলে দাও মাথা রাখো কোলে
দ্যাখো শুক্রবারের কতো লম্বা খুতবা ও
একটা সময় ঘুমিয়ে পড়ে নামাজের কোলে।

শুক্রবার।
চৌধুরী সাজিদ সাইফুল্লাহসম্পূর্ণ

আমি কাঁথা মুড়ি দিয়ে শরীর ঢেকে ফেলতে গ্যালে
কাঁথার বুকে দাঁড়িয়ে থাকা ফোঁড়েরা কেঁদে কেঁদে বলে
খোদা ক্যানো এ ফাসিককে আমার কোলে ঢেলে দিলে!সম্পূর্ণ

তুমি গণিতে ভীষণ ভালো
তবু বাসায় ফিরলে সংখ্যার হিসেব ভুলে যেও!
কানের কাছে অগণিত বার
ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি বলিও!
এমন নিঃসঙ্গ দুপুরে বিচ্ছিরি নিস্তব্ধতা মাড়িয়ে
আমার বুকে তীব্র চুম্বনের কোলাহল এঁকে দিও!সম্পূর্ণ

শুনেছি ভাঙাচোরা বেড়েছে ফুটওভারে
বেখেয়ালি হেটোনা আর
পারাপারে সতর্ক থেকো!
শ্বাসকষ্টের মেডিসিন নিও ঠিকাঠাক,
নিজের খেয়াল রেখো!
সম্পূর্ণ

তুমি চইলা যাওয়ার পর
বৃষ্টিফোটারা মাটিরে জড়ায়া ধরতেই
স্মৃতিরা আমার চোখে আইসা
উন্মাদের মতোন দৌড়াইয়া বেড়ায়!
কানে বাইজা উঠে বিষন্নতার করুণ সুর!সম্পূর্ণ

এই স্মৃতির সেলে আমাকে ফেলে রেখে উড়ে বেড়াচ্ছো কার আকাশে, আধফোটা লাজুক গন্ধরাজের মতোন হেসে উঠে কোথায় বাজিয়ে তুলছো বেহেশতী নূরের ঘন্টা! সম্পূর্ণ