৫৭ ধারা অথবা লাশঘর
মিছিলে যখন আমি মোশতাকের শবদেহ মস্তিষ্কে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম, তখন আমার ঠিক ডানপাশে ছিলো স্বৈরাচারীসম্পূর্ণ
১৯৮৭ সালের ২১শে মে লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্ম। বাবা মামুন হােসেন আর মা মাশকুরা বেগমের এই চতুর্থ সন্তান কবিতায় বিচরণ করেন আর স্বপ্ন দেখেন রঙিন পর্দায় সিনেমার গল্প বলার। একমাত্র সন্তান রাদ শাহামাত হায়দার (শব্দ) আর ভালােবাসার মানুষ সীমা হায়দারকে নিয়ে চার দেয়ালের সংসার।
মিছিলে যখন আমি মোশতাকের শবদেহ মস্তিষ্কে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম, তখন আমার ঠিক ডানপাশে ছিলো স্বৈরাচারীসম্পূর্ণ
তুমি মিছিল থামাতে সালাম-বরকতের বুকে রক্তাক্ত বুলেট সাজাও, আমি আমার কন্ঠস্বরে বাংলা বর্ণমালা সাজাই, আমিসম্পূর্ণ
গোলাপ যখন মুমূর্ষ হলো, আমি তার শিয়রে দাঁড়ালাম, সূর্য্যটাকে জানলা বরাবর টেনে এনে- তার শেষসম্পূর্ণ
যেহেতু এখনও বেঁচে আছি, মরে যাইনি পৃথিবীর নিয়মে, আমার জন্য তোমার যাবতীয় শোক আয়োজন আজইসম্পূর্ণ
গাছটা বললো, কবি একটা কথা শুনবেন? আমি বললাম, “বলুন যা ইচ্ছে হয় আপনার, বলতে গিয়েসম্পূর্ণ
আর বেশি আয়ু নেই, তবু কি উদ্যত হয়ে উড়ে যাচ্ছে সুতীব্র সব চুম্বন! পৃথিবীর কোনোসম্পূর্ণ
পারমিতা, ইথারে কান পেতো শোনো খবর, পৃথিবীর আয়ু কমে যাচ্ছে! ভালোবাসা হয়ে যাচ্ছে ইতিহাস, তুমি-আমিসম্পূর্ণ
ছেলেটা বললো, এভাবে চলতে পারে না, সবকিছু ভেঙ্গেচুরে যাচ্ছে,তার এক হাতে চায়ের কাপ, অন্য হাতেরসম্পূর্ণ
অনেক পাখির মতো এখনো বাড়ি ফেরেনি কাদামাখা একজোড়া পা,পুকুরঘাটের বাঁধানো সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকা শামুকওসম্পূর্ণ