তোমাকে মনে পড়বে
তোমাকে মনে পড়বে,হঠাৎ করে বৃষ্টি নেমে এই শহর ভিজিয়ে দেয়ার নামে নদী ডেকে আনলে, গাছসম্পূর্ণ
১৯৮৭ সালের ২১শে মে লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্ম। বাবা মামুন হােসেন আর মা মাশকুরা বেগমের এই চতুর্থ সন্তান কবিতায় বিচরণ করেন আর স্বপ্ন দেখেন রঙিন পর্দায় সিনেমার গল্প বলার। একমাত্র সন্তান রাদ শাহামাত হায়দার (শব্দ) আর ভালােবাসার মানুষ সীমা হায়দারকে নিয়ে চার দেয়ালের সংসার।
তোমাকে মনে পড়বে,হঠাৎ করে বৃষ্টি নেমে এই শহর ভিজিয়ে দেয়ার নামে নদী ডেকে আনলে, গাছসম্পূর্ণ
চলো হঠাৎ একদিন…আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভেঙ্গে ফেলি সব চিৎকার,পাঁজর থেকে বের করে আনি যত দীর্ঘশ্বাসেরসম্পূর্ণ
জানালায় এসে দাঁড়িয়ে দেখো, এক এক করে সবকিছু ধূসর হয়ে যাচ্ছে,তোমার হাতের মুঠো থেকে খসেসম্পূর্ণ
যাদের বাবা নেই, তাদের ক্ষিধেটাও চুরি হয়ে যায়,ভাতের থালায় অবহেলাভরে পড়ে থাকে নির্লজ্জ আয়ু!যে যাওয়ারসম্পূর্ণ
আমার এ বুকের ক্ষতে বেঁধে দাও কিছু আয়ু,আমি নিষ্পাপ এক শিশুর মতো আবার জন্মাই!আমাকে পাহাড়সম্পূর্ণ
‘মাছরাঙ্গা নয়, বরং ধান শালিককে ভালোবেসে দেখুন!’আড্ডার মাঝখানে এমন নির্দেশে আমরা কয়েকজন নড়েচড়ে বসলাম,নির্দেশদাতার দিকেসম্পূর্ণ
জীবন থেকে পালিয়ে আর কতদূর যাওয়া যায়!একটু সামনে গেলেই রেল স্টেশন, তারপর রেলগাড়ি!এরপর?কু ঝিকঝিক শব্দেসম্পূর্ণ
ইতিহাস থেকে আমি ছুটে এসেছি-কেবল তোমার বর্তমান হবো বলে!আমাকে গ্রহণ করো নতজানু প্রেম,আমাকে বেঁধে নাওসম্পূর্ণ
আমাদের জীবনগুলো যাচ্ছেতাইভাবে যখন-তখন চুরি হয়ে যাচ্ছে,প্রথমে চুরি হয়েছিলো মায়ের ভাতের থালা আর আলসেমীমাখা দুপুর,বাবারসম্পূর্ণ
জানলায় দাঁড়িয়ে থেকে পুরো একটা জীবন পার করে দিলাম,তারপর আর কোনো অজুহাত না দেখিয়ে সরাসরিসম্পূর্ণ
না পাওয়ার দীর্ঘ তালিকা, ঈশ্বরের কাছে জমা রেখে,
প্রতিরাতে নিঃসঙ্গ হেঁটে যান, একজন সিস্টার মেরি।সম্পূর্ণ
একদিন খুব ভোরে তোমার সাথে পালিয়ে যেতে ইচ্ছে হবে,মুয়াজ্জিনের আজানের পর খুব গোপনে দরজার কপাটসম্পূর্ণ