জানালায় এসে দাঁড়িয়ে দেখো, এক এক করে সবকিছু ধূসর হয়ে যাচ্ছে,
তোমার হাতের মুঠো থেকে খসে পড়ে যাচ্ছে অজস্র হলদে আলোর বিকেল,
ধুলোবালি হয়ে মিশে যাচ্ছে এই শহরের বুকে জেগে থাকা আমাদের চেনা পথঘাটে!
অথচ দেখো, আমাদের সেইসব হাঁটবার দিন এখনো ফুরিয়ে যায়নি কোথাও,
হঠাৎ বৃষ্টি, তোমার ভেজা শাড়ি আর আমাদের ক্ষ্যাপাটে চুম্বন ফিরে ফিরে আসে!
প্রতিবার পানশালা থেকে বেরিয়ে আমার অন্য কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে করে,
অন্য কোথাও, যেখানে চলে গেলে এই জীবন থেকে হুটহাট করে ছুটি মিলে যায়!
আমার যাওয়া হয়না, আমি এলোমেলো পায়ে স্মৃতির চৌকাঠ পেরিয়ে যাই,
তোমার সামনে গিয়ে দাঁড়াই, তোমাকে আঙুল বাড়িয়ে বারবার ছুঁয়ে দেই!
ভাড়াটে গাড়ি ছুটে চলে আর তার জানলায় কেবল বাষ্প জমে যায়,
আমি আবার ফিরে যাই পানশালায়, অলৌকিক সব চুমুকে নিজেকে অস্বীকার করি,
তোমার ৪৯তম শাড়ি, ৪পেগ মদ, ৪১টা অমায়িক হাসি আর দু প্লেট ছোলা,
চাইলে আরও একটা পেগ নেবার মতো পয়সা থেকে যায় আমার পকেটে,
বিশ্বাস করো, তোমার ঐ কালো আর চাঁদের সমান টিপের দিব্যি কেটে বলছি,
আমি ওখানেই থেমে গেছি, নইলে…
আর একটা পেগ বেশি হলেই আমি ঠিক মাতাল হয়ে যেতাম,
প্রথমে প্রেমিক থেকে পুরুষ…
তারপর কবি থেকে বেশ্যার দালাল হয়ে উঠতাম!
2020-06-27
