অনেকদিন কেঁপে উঠি না
অনেকদিন কেঁপে উঠি না, গভীর সৌন্দর্যের উজ্জ্বলতর ছড়ানো দিনে, ভাবনার কল্পিত শরীরে, যারা চলে গেছেসম্পূর্ণ
অনেকদিন কেঁপে উঠি না, গভীর সৌন্দর্যের উজ্জ্বলতর ছড়ানো দিনে, ভাবনার কল্পিত শরীরে, যারা চলে গেছেসম্পূর্ণ
অনেকগুলো মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলাম নিবিড়ভাবে, গভীর দৃষ্টিতে, যারা সফল, সমাজ রাষ্ট্রে আর সভ্যতায়; পৃথিবীরসম্পূর্ণ
আশ্চর্য আমার নির্মল বিস্ময়কর ভাবনা; অপূর্ব গাঢ় মেঘের বৃষ্টির ফোঁটায়
ঝ’রে পড়া অমলসৌন্দর্যের সুনিবিড় কারুকার্যময় রূপান্তরিত সপ্ত সীমাহীন
ভাবনাবোধের গতিহীন ছুটে চলা; নষ্ট অযৌক্তিক রচিত সব অমরবাণী;
পৃথিবীর উজ্জ্বল রঙে শোকাবহ রুগ্ন মানুষের আমৃত্যু ব্যাধি, গাঢ় শূন্যতার
সাথেই যাপন করি পবিত্র রাত্রি; শিশিরে প’ড়ে থাকা অম্লান জ্যোৎস্নায়।
সম্পূর্ণ
অমল শরীরে; নিশিকান্ত ছুঁয়ে যায় আমার ভরা পূর্ণিমা তার মাধুর্যে টলোমল জলে; তরঙ্গিণীর সব ধারা ব’য়ে যায় অকূলপাথারে, সন্ধ্যা নদী ব’য়ে দিই নির্ঝরে মেঘে,বৃষ্টির ফোঁটায় ভ’রে উ’ঠে অমল আঁখিকোণ অম্লান হিমবাহে; প্রোজ্জ্বলিত ভাবনার তুষারে, হিমাচ্ছন্ন দ্বীপপুঞ্জে রূপান্তরিত শিলায় গেঁথে রাখি পবিত্র শ্লোক স্ফুটের স্বরে আলোকোজ্জ্বল দীপাবলি নিভে আসে রৌদ্রালোকে জ্যোতির্ময় দ্যুতির রশ্মি;
সম্পূর্ণ
শতাব্দীর দীর্ঘ পথে হেঁটেছি বিস্তীর্ণ দিকে অজস্র ধারায় সৌন্দর্যময়
একাকী রুপালি জ্যোৎস্নায়, নক্ষত্রের নীল মেঘে, শোভাময় সঙ্গীতে
রাতের আঁধারের নিবিড়তায়, অন্ধকারে শরীরের আবেদন তীব্র হ’য়ে
উ’ঠে শাদা হিমে; আশ্চর্য গাঢ় বিস্তীর্ণ ভেসে আসা আমার পৃথিবীর
কোমল ধ্বনি, উচ্চারিত হৃদয়ের ব্যর্থ প্রলাপ; নিঃসঙ্গ সন্ধ্যায় নিবিড়
সম্পূর্ণ
মায়াবী আঙুলের নীলছোঁয়ায় মৃত্তিকা নেই পদতলে স্বপ্নের গভীরে
তোমার একফোঁটা চোখের জলে দাঁড়িয়ে থাকে আমার বেড়ে উঠা স্বপ্ন
শতাব্দীর সূর্যকরোজ্জ্ব্ল মধ্যেদিনে, দীপাবলির জ্বেলে উঠা আলোয়
জলপাই রঙের সৌন্দর্যে মিশে থাকে আমার সকল শূন্যতা জ্যোৎস্নার
নির্জনে, বিচ্ছেদে মিশে থাকে লাল-নীল নিসর্গ প্রদীপ মায়াময় বাহুতে.
সম্পূর্ণ
মাঝে, চাঁদ ও জ্যোৎস্নার ভিতর আমি যেন দাঁড়িয়ে আছি কয়েক কোটি বছর ধ’রে, সেই সৌন্দর্যের পথে আমি হেঁটেছি অনিবার্য দিনে; বু’কের গভীর শূন্যতায় তাঁকে লুকিয়ে রাখি অমল শুভ্রস্পর্শে ; যেন বেঁচে থাকে আমার সমান বয়স নিয়ে অশ্রু ছোঁয়া হৃদয়ে গোপন নিসর্গ নীলিমায়, নীলছোঁয়া প্রোজ্জ্বল ঠোঁটে বিস্তৃত আঁখিকোণে;
সম্পূর্ণ
সকল সৌন্দর্য অন্তহীন হৃদয়ে; মৃত্তিকার সব রঙ মিশে গেছে সবুজ ঘাসে শুভ্রতা আমাকে কোমল করে তোলে পরম স্পর্শে; হৃদয়ের অতলে মিশে থাকে আমারআশ্বিনের বাতাস মর্মর বিষাদে; ভুলে গেছি ফাল্গুনের নরম হাওয়া দীপ্ত আভাস আমার মসৃণ শরীরে; দু’ফোঁটা চোখের জল ও একটি শূন্যতা নির্বাসিত অন্তরে।
সম্পূর্ণ
ব’য়ে যাওয়া ঠোঁটের ছোঁয়ায়; ঘন সন্ধ্যা নামে আমার বু’কে;
নষ্টদের সকল প্ররোচনা ধু’য়ে যাক অপার্থিব সৌন্দর্যে-সবুজে
কারুকার্যময় সকল কিছু আজ আমার হোক পার্থিব মুহূর্তে;
দিগন্তের শেষ সীমানায় পৌঁছে যাব কেঁপে উঠা রাত্রিকালে
সকল স্পর্শ আজ ছুঁয়ে যাব পরস্পরের কোমল রিক্ত ঠোঁটে;
সম্পূর্ণ
বিবর্ণ ছড়ানো রঙে, রক্তের হিম পল্লবে ঝ’রে প’ড়ে সন্ধ্যাতারা মুহূর্তের পরম সৌন্দর্যে, তাঁদেরকে হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে রাখি মুগ্ধ উজ্জ্বল আলোয়; রাত্রির গভীর অন্ধকারে হারিয়ে ফেলি উম্মিলীত নিবিড় লগ্নে, স্তব্ধ পরস্পরে মেঘপুঞ্জের আড়ালে পবিত্র প্রেমে;আমার সম্পর্ক লুপ্ত হ’য়ে যায় আলো-আঁধারের রহস্যময় অন্ধকারে; সুরের মূর্ছনায় তা ভুলে যাই বিষাদের আঁখিপাতে, স্নিগ্ধ আমার কঠিন প্রেম, দীর্ঘজীবী হও শাদা মেঘের
সম্পূর্ণ