নিসর্গের রাতে বুকে গেঁথে রাখি মাধবীর অমল ভালোবাসা বাতাসের সুরে,
জ্যোতির্ময় নীল ছোঁয়ায় হারিয়ে যায় আমার সকল ব্যথা গভীর নির্জনে
শ্রাবণের বৃষ্টিতে পলিমাটি প্রাণ পায় হৃদয়স্পন্দন কেঁপে উঠা আঙুলে;
নিঃশব্দে অনুভূতিগুলো জেগে উ’ঠে শতাব্দী জড়ানো ঝলোমলো শূন্যতায়
সম্পূর্ণ

তোমার কঠিন মুখ কল্পনার দীর্ঘ ছায়ায়, সংগীতের সব সুর মুছে যায় নক্ষত্রের রাতে আমাদের গভীর ভালোবাসায়, আবার নিরর্থক মানুষের মতো প’ড়ে রই সবুজ ঘাসে তোমার চোখের ভিতর, নরম শরীরে মিশে যাই রক্তের অনুভবে, স্তব্ধতা খেলা ক’রে বিবর্ণময় শুভ্র কালো রাতে, আমি
সাড়া শরীরে একে দিই
সম্পূর্ণ

শিশিরের ছোঁয়ায়, শব্দহীন রচিত আমার সকল পদ্য, তীব্র আবেগে আঙুলে ছুঁয়ে যা ভোরের বাতাস, স্বরহীন আমার কণ্ঠ থেকে ঝ’রে প’ড়ে মৌলিক শব্দমালা অবিরত; স্তব্ধতায় মিশে যায় সৌন্দর্যের সকল অর্থ জলের শব্দের মতো কেঁপে-কেঁপে, চোখের ভিতর লুকিয়ে রাখি জ্যোতির্ময় প্রোজ্জ্বলিত সেই ভাবনা, যা অমল ঠোঁটে
সম্পূর্ণ

আমার সকল অপূর্ব সৌন্দর্য বিস্ময়কর আলোয় মিশে গেছে
গভীর সম্পর্কের রূপান্তরিত শিল্পে, বিস্ময়কর আমার নিস্তদ্ধতা,
নির্মল-বিস্ময়ে গভীর শোকাবহবাণী ব’য়ে যায়
দিনের উজ্জ্বলতর আলোয়; শীতল আমার সকল মানবিক
সম্পর্ক, সীমাহীন সহনশীল অস্তিত্ব লুকিয়ে
থাকে সর্বত্রে, নিস্তদ্ধতার নীল আলোয়, জ্যোৎস্নায়,
পবিত্র শিশিরে স্বপ্নের
জ্যোতির্ময় রূপান্তরিত ছোঁয়ায়।
সম্পূর্ণ

তুমি ছিলে আমার স্বপ্নের অনুভূতির নিসর্গের মাঝে
জ্যোতির্ময় আলো ছুঁয়ে যায় কোমল শিশিরের জলে;
আমার উপলব্ধিময় ভাবনার কম্পিত স্নিগ্ধময় ঠোঁটে,
স্বপ্নের সেই সিঁড়ি রূপান্তরিত হ’য়ে উ’ঠে গভীর নীলে
নিস্তব্ধতার আলোছায়া রৌদ্রজ্জ্বল বিস্ময়ের দিকে ছোটে
সম্পূর্ণ

এখানেই দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি, যখন সবকিছু চতুর্দিক দিয়ে নিস্তব্ধ
হ’য়ে আসছিল, তাকিয়ে ছিলাম গাঢ় মেঘের দিকে, তার প্রোজ্জ্বলিত
সব আলো যেন অলৌকিক যাদুকরের মতো আমার দিকে প্রসারিত;
আশ্চর্য, কল্পনার তুলিতে ভাবনার অর্থহীন মর্মর ধ্বনি, সবচেয়ে জটিল
সম্পূর্ণ

অলৌকিক হৃদয়ের স্নিগ্ধ হিম ঝ’রে প’ড়ে স্তব্ধ আলোর স্তরে
প্রোজ্জ্বল-সৌন্দর্য জ’মে থাকে সুদূরের কোন সর্পিল সোপানে;
সমুদ্রে, গাঢ় নিঃসঙ্গ জ্যোতির্ময় অন্তরালে, চন্দ্রালোকের শরীরে
নক্ষত্র অন্তহীন, পুণ্যময় সব মুগ্ধতা রূপান্তরের প্রফুল্ল যৌবনে;
ঐশ্বরিক গাঢ় স্তব ভাবনার মুহূর্তে একাকী নিঃসঙ্গতার রূপান্তরে
সম্পূর্ণ

ঘন সন্ধ্যায় সেই আলোও যেন ফুরিয়ে যায় চোখের কোণ থেকে কয়েক মুহূর্তে,চেয়ে থাকি রুপালি চাঁদের দিকে, ক্লান্ত চোখে, গেঁথে থাকা সেই আলোর জন্য, নিস্তব্ধ আর কোমল হ’য়ে আসা আমার সমস্ত ভাবনার রাজ্যেয় তাকেই আপন ক’রে
সম্পূর্ণ

সন্ধ্যায় আমার এখানে তুমি আসোনি;
আসতে যদি তাহ’লে দু’জনে বসে কফির পেয়ালায়
মুখ রাখতাম আর শব্দমালায় ভরিয়ে তুলতাম বিস্ময়কর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক;
অন্ধকারে অন্তরালে হৃদয়ের নিরন্তর নিঃশব্দে কোমল ঠোঁটের কোণে;
যা মিশে যেত মেঘমালায়, আশ্বিনের বাতাসে, লাল মেঘে নিস্তব্ধ
জ্যোৎস্নার ছায়ায়, শিশিরের প’রে
সম্পূর্ণ

আশ্চার্য শরীরে গেঁথে দিলে শুভ্র দ্যুতি, নিবিড় স্তব্ধ রাত্রি, শিল্পীর তুলির স্পর্শে; অপূর্ব মাধুর্যময় সেই সঙ্গীতের সুর, যা কেঁপে উ’ঠে হৃদয়ের উদ্দীপ্ত মর্মের ঠোঁটে গভীর ভালোবাসায় আমরা হারিয়ে গেলাম নীল রক্তস্রোতে কেঁপে উঠা মুহূর্তে আদিম অন্ধকারে প’ড়ে রইলো আমাদের অর্থহীন মুখচ্ছবি স্তব্ধ স্মৃতির আড়ালে মেঘমালার পুঞ্জ-পুঞ্জ শিশিরে ছুঁয়ে গেল কোমল সৌরভ, আঁখির দুর্ভেদ্য নিশীথে; গ’লে-গ’লে ঝ’রে পড়লো দু’চোখের অশ্রুবিন্দু, তৃষ্ণাতো শরীরে বৃষ্টির ছোঁয়ায়
সম্পূর্ণ

জোস্নার কোমল আলোয়, আপন মনে, কখনও আমাকে ছেঁড়ে চলে যায় দূরে; মিষ্টি রোদের পরম ছোঁয়া পেতে গভীর নির্জনে; হারানো পথে, সৌন্দর্যে গেঁথে থাকে অতন্দ্রিত রাত; চক্ষুজুড়ে আলো আঁধারে মিশে থাকে লাল নীল কুয়াশা, সবুজ ঘাসের সৌন্দর্য অলৌকিকতায় বেজে উ’ঠে আপন কণ্ঠস্বরে, নীল জলে শত স্নিগ্ধ প্রজাপতি উ’ড়ে যায় আমার বাহুতলে, একগুচ্ছ সবুজ উদ্ভিদে জন্ম নেয় আমার রচিত কাব্য ভালবাসার ভিন্নরূপে; পরম সম্পর্ক মুছে যায় মুহূর্তে,
সম্পূর্ণ

ঠোঁটের কোণে কিভাবে ঢেউ খেলে যায় শরীর থেকে শরীরে গভীরভাবে
আলিঙ্গনের পর কতক্ষণ কাঁপতে থাকে আমাদের অভ্যন্তরে ভেজা রক্তপদ্মে;
অমল জ্যোৎস্নায় ছুঁয়ে দেখছ তা-কখনও, কেঁপে-কেঁপে স্বপ্নের গভীরে
সব ভুলে গেছি রূপান্তরের স্বপ্নলোকে; আঙুলের কোমল ছোঁয়ায়, শিহরণে
তোমার অপার্থিব হীরকখচিত স্বর্ণের শরীর, ঢেউ খেলানো মসৃণ সৌন্দর্য আর
সম্পূর্ণ